বুধবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১; ৬:১১ অপরাহ্ণ


সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা সংরক্ষিত থাকবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গতকাল জাতীয় সংসদে তিনি বলেন, সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা হাইকোর্টের রায়েই সংরক্ষিত রয়েছে। হাইকোর্টের রায় তো আমি লঙ্ঘন করতে পারি না। এটা করলে তো আদালত অবমাননায় পড়ে যাব। এটা কেউ করতে পারবে না। অন্যদিকে যারা আন্দোলনের নামে উপাচার্যের বাড়ি ভাংচুর করেছে, আগুন দিয়েছে, তাদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। তাদের তো ছাড়া যায় না, ছাড় দেব না। যতই আন্দোলন করুক, এটা বরদাশত করা যায় না।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে গতকাল দশম জাতীয় সংসদের ২১তম অধিবেশনের সমাপনী ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোটা সংস্কার আমরা করব। আমি তো বললাম সব বাদ দিতে। কিন্তু হাইকোর্টের রায় রয়েছে। আমরা মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে দিয়ে একটা কমিটি করে দিয়েছি। কোটা যা-ই থাকুক, তা পূরণের সঙ্গে সঙ্গে যে জায়গায় খালি থাকবে, সেখানে মেধাতালিকা থেকে পূরণ করা হবে। কয়েক বছর ধরে এ প্রক্রিয়া চালু আছে ও সেটাই করা হচ্ছে।

কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীদের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোটা নিয়ে যারা আন্দোলন করছে, তারা যে কী চায় বারবার জিজ্ঞাসা করা হয়েছে। সেটা কিন্তু সঠিকভাবে তারা বলতে পারে না। আমাদের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বুধবারই বলেছেন, মুক্তিযোদ্ধাদের কোটা নিয়ে সর্বোচ্চ আদালত হাইকোর্টের রায় রয়েছে। যেখানে হাইকোর্টের রায় আছে, মুক্তিযোদ্ধাদের কোটা ওইভাবে সংরক্ষণ থাকবে।

ভিসির বাড়িতে যারা ভাংচুর করেছে, অগ্নিসংযোগ করেছে— তাদের ছাড়া হবে না বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, তাদের ছাড়া যায় না। জড়িতদের গ্রেফতার করা হচ্ছে, তদন্ত করা হচ্ছে। অনেকে স্বীকারও করেছে। যেখানেই যারা থাকবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেই হবে, তারা যতই আন্দোলন করুক। অনেক জায়গায় চাকরি খালি আছে, যারা মেধাতালিকায় থাকছে, কেউই বাদ যাচ্ছে না। যারাই মেধাবী, তারা কোনো না কোনোভাবে চাকরি পাচ্ছে।

 

সম্পর্কিত লেখা


আরও পড়ুন