, ১ জানুয়ারি ২০২১; ২:৫৬ অপরাহ্ণ


কোটা সংস্কার আন্দোলনের যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ রাশেদ খানকে তিনটি মামলায় মোট ১৫ দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। বুধবার সর্বশেষ ৫ দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করা হলে তার জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুজ্জামান নূর।

এদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির বাসায় ভাংচুরের একটি মামলায় ৫ দিনের রিমান্ড শেষে রাশেদকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের সহকারী কমিশনার মো. ফজলুর রহমান। রিমান্ড ফেরত প্রতিবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা আদালতকে জানান, কোনো স্বার্থান্বেষী মহলের বিশেষ সুবিধার কারণে তাদের স্বার্থ হাসিলের জন্য সেই স্বার্থান্বেষী মহলের মদদে রাশেদ এ মামলার ঘটনা ঘটিয়েছে বলে তদন্তে জানা গেছে।

আসামি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্র এবং কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্রভাবশালী নেতা। আসামি জামিনে মুক্তি পেলে মামলার তদন্তে বিঘ্ন সৃষ্টি করবে, পুনরায় এইরূপ ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটাবে বিধায় মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত রাশেদকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

আসামি পক্ষে জাহাঙ্গীর আলম, নুর উদ্দিন, জাইদুর রহমান প্রমুখ আইনজীবী জামিন চেয়ে শুনানি করেন। শুনানিতে তারা বলেন, ‘রিমান্ড ফেরত আসামির চিকিৎসার জন্য হলেও তার জামিন প্রয়োজন। সে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, জামিন দিলে পলাতক হবে না।’

উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে রাশেদকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। গত ১ জুলাই সকালে রাজধানীর শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক আল নাহিয়ান খান জয়। এরপরই রাশেদকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গত ৮ এপ্রিল কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় ঢাবি ভিসির বাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র সিকিউরিটি অফিসার এসএম কামরুল আহসান বাদী হয়ে মামলা করেন। আর আন্দোলনের সময় আন্দোলনকারীরা রাস্তা বন্ধ করে টায়ার ও আসবাবপত্র জ্বালানো, নাশকতা এবং পুলিশকে মারধর ও কর্তব্য কাজে বাধা দেয়- এই অভিযোগে শাহবাগ থানায় তিনটি মামলা করে পুলিশ।

সম্পর্কিত লেখা


আরও পড়ুন