বৃহস্পতিবার, ১৬ জুন ২০২১; ৪:৫৫ অপরাহ্ণ


ডেস্ক রিপোর্টঃ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এই ডিসেম্বর মাসের ৩০ তারিখে। গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতায় এই প্রথম কোন দলীয় সরকারের অধীনে সব দলের অংশগ্রহণে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই নির্বাচনকে ঘিরে সন্দেহ, অবিশ্বাস ও সংশয় এখনো কাটেনি। এই সংশয়ের প্রধান কারণ নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা।

যদিও সাংবিধানিকভাবে নির্বাচন কমিশন স্বাধীন ও স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান এবং নির্বাচনকালীন সময়ে প্রশাসন ও অন্যান্য আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা নির্বাচন কমিশনের অধীনে থাকার কথা কিন্তু বর্তমান কমিশন প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ার বড় কারণ নির্বাচনকালীন সময়ে পুলিশের ধরপাকড়, গায়েবি মামলা ও প্রচ্ছন্ন শক্তিপ্রয়োগের মাধ্যমে বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের দৌড়ের উপর রাখা ও নজিরবিহীন মনোনয়ন বাতিলের মাধ্যমে নির্বাচনকে প্রভাবিত করার চেষ্টা। তাছাড়া বিতর্কিত ইভিএম ব্যাবহার নিয়ে ঐক্যমত না থাকলেও ইভিএম ব্যাবহারের সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।

নির্বাচন ও জনমত নিয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জরিপ নিয়ে সংবাদমাধ্যমে বেশ মাতামাতি হতে দেখা যায়। বলা বাহুল্য এর মধ্যে অধিকাংশের জরিপ প্রক্রিয়া ও গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ। এই প্রেক্ষাপটে তরুণ সমাজের উপর সবচেয়ে বড় জরিপটি পরিচালিত হয়েছে কোটা সংস্কার আন্দোলনের যুগ্ন আহ্বায়ক নুরুল হক নুর দ্বারা। তিনি তার ফেসবুক প্রোফাইলের মাধ্যমে একটি পুল (ভোটাভুটি) আহ্বান করেন এবং সবাইকে এখানে মতামত দেওয়ার আহ্বান জানান। তার আহ্বানে সাড়া দিয়ে ৩০৭০০ (ত্রিশ হাজার সাতশ জন) এই ভোটে অংশগ্রহণ করেন।

ভোটের ফলাফলে দেখা যায়, ২৭০০০ (সাতাশ হাজার জন) ভোটার মনে করেন, এই নির্বাচন কমিশনের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনা সম্ভব নয়। অন্যদিকে ৩৩০০ (তিন হাজার তিনশ জন) ভোটার মনে করেন এই নির্বাচন কমিশনের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব।

শতাংশের হিসেবে এই হার ৮৯ বনাম ১১ শতাংশ।

বিস্তারিত জানা যাবে নুরুল হকের নুরুর প্রোফাইলে — জনমত জরিপের লিঙ্ক

সম্পর্কিত লেখা


আরও পড়ুন