, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১; ৯:৩৬ অপরাহ্ণ


মার্কিন হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভসে একটি প্রস্তাব তোলা হয়েছে, যেখানে কংগ্রেসের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়েছে, যাতে ভারত অধিকৃত কাশ্মীরে বেসামরিক জনগণের উপর সরকারী বা বেসরকারী পক্ষগুলোর শক্তি প্রয়োগ নিষিদ্ধের ব্যবস্থা নেয়া হয়।

প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন কংগ্রেসের প্রতিনিধি রাশিদা লাইব। তিনি কংগ্রেসের প্রতি “কাশ্মীরে জনতাকে দমনের অস্ত্র হিসেবে ছড়ড়া গুলি ও রাবার বুলেট ব্যবহারের নিন্দা জানানো এবং এর বিরোধিতা করারও” আহ্বান জানান।

মিশিগানের ১৩তম জেলার ডেমোক্র্যাট সদস্য ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত আরব এবং বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মী। মার্কিন কংগ্রেসের যে সব সদস্য প্রথম দিকেই ভারতের ৫ আগস্টের পদক্ষেপের নিন্দা করেছিলেন, লাইব তাদের অন্যতম। তিনি ভারতকে তাদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের, কাশ্মীরে মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং কাশ্মীরীদের মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত করার জন্য আহ্বান জানিয়েছিলেন। ওই বিষয়গুলোই তিনি এই প্রস্তাবনায় নিয়ে এসেছেন।

প্রস্তাবনায় কংগ্রেসের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে কংগ্রেস এই চেষ্টা করে যাতে, “জম্মু ও কাশ্মীরের মর্যাদা পরিবর্তনের যে কোন বিষয়ে কাশ্মীরের জনগণের সাথে সরাসরি আলোচনা করা হয়, এবং নিজেদের ভবিষ্যতের ব্যাপারে কাশ্মীরের মানুষকেই প্রধান ভূমিকা রাখতে দিতে হবে”।

জম্মু ও কাশ্মীরে যোগাযোগ বিচ্ছন্ন রাখার জন্য যে সব পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে, সেগুলো এখনই তুলে নেয়ার জন্য প্রস্তাবনায় উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে ফোন সংযোগ, ইন্টারনেট সংযোগ পুনস্থাপন এবং চিকিৎসা সেনা নেয়ার ব্যাপারে যাতে কোন বাধা না থাকে, সেটা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।

৭২৪ নং ওই প্রস্তাবনায় জম্মু ও কাশ্মীরের মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং কাশ্মীরীদের স্বাধীকারের বিষয়টিকে সমর্থন করা হয়েছে।

প্রস্তাবনায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, ভারত কাশ্মীরের মানুষের সাথে কোন ধরনের আলোচনা না করে একতরফাভাবে জম্মু ও কাশ্মীরের মর্যাদা বাতিল করেছে।

এতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, ইউনাইটেড নেশান্স হাই কমিশনার ফর হিউম্যান রাইটসের অফিস থেকেও জম্মু ও কাশ্মীরের মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে উদ্বেগ জানানো হয়েছে।

প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে যে, ভারত জম্মু ও কাশ্মীরে কঠোর কারফিউ আরোপ করেছে, যেটা মত প্রকাশ, সমাবেশ করা ও চলাফেরার স্বাধীনতা খর্ব করেছে।

এতে বলা হয়েছে যে, ভারত ৫ আগস্ট জম্মু ও কাশ্মীরে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে। এর অংশ হিসেবে সেখানকার ল্যাণ্ডফোন ও মোবাইল নেটওয়ার্ক বন্ধ করে দেয়া, ইন্টারনেট সংযোগও বিচ্ছিন্ন করা হয়। সবশেষ ১৪ অক্টোবর সীমিত পরিসরে ফোন সংযোগ চালু করা হয়েছে।

সম্পর্কিত লেখা


আরও পড়ুন