বুধবার, ১৫ জুন ২০২১; ১০:১৮ অপরাহ্ণ


“আন্তর্জাতিক ফিলিস্তিন সংহতি দিবস” উদযাপন উপলক্ষে গত ৩০ নভেম্বর ২০১৯ “ইউনাইটেড ন্যাশনস এসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ” রাজধানীর একটি হোটেলে একটি সিম্পজিয়ামের আয়োজন করে।

এতে “কী নোট স্পিকার” হিসেবে যোগ দেন সাবেক নির্বাচন কমিশনার ডঃ এম শাখাওয়াত হোসাইন। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রদূত জনাব ইউসুফ রামাদান। এতে সভাপতি হিসেবে যোগদান করেন “ইউনাইটেড ন্যাশনস এসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ” এর প্রেসিডেন্ট বিচারপতি কাজী এবাদুল হক।

এতে ফিলিস্তিনিদের ওপর ষড়যন্ত্র, নিপীড়ন, নির্যাতন ও হামলা বন্ধ এবং ফিলিস্তিনিদের স্বাধীনতার দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও সংহতির আহ্বান জানানো হয়।
১৯৭৭ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ২৯ নভেম্বরকে ফিলিস্তিনি জনগণের সাথে সংহতি প্রকাশ করতে ‘আন্তর্জাতিক ফিলিস্তিন সংহতি দিবস’ হিসেবে গ্রহণ করে। এর ঠিক ১০ বছর পরে ১৯৮৭ সালের ২৯ নভেম্বর ‘ইউনাইটেড নেশনস পার্টিশন প্ল্যান ফর প্যালেস্টাইন’ প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। এরপর থেকেই মুলত এ দিনটি ‘আন্তর্জাতিক ফিলিস্তিনি সংহতি দিবস’ হিসেবে সারা বিশ্বে পালিত হয়ে আসছে।

উল্লেখ্য, ১৯৪৮ সালে জাতিসংঘ প্রস্তাব অনুযায়ী ইসরাইল ও ফিলিস্তিন- আলাদা দুটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কথা থাকলেও পাশ্চাত্য শক্তির ষড়যন্ত্র আর নিজেদের মধ্যকার দুর্বলতার কারণে এতদিন ফিলিস্তিন স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে গঠিত হতে পারে নি। ১৯৯৬ সালে পশ্চিম তীর ও গাজায় ফিলিস্তিনি জনগণের জন্য নামমাত্র স্বায়ত্তশাসন কায়েম হয়েছে।

নির্যাতিত লাঞ্ছিত জনগোষ্ঠী হিসেবে ফিলিস্তিনি জনগণের সাথে বাংলাদেশের জনগণ সব সময়ই সংহতি জানিয়ে আসছে, আজও জানাচ্ছে।

সম্পর্কিত লেখা


আরও পড়ুন