মঙ্গলবার, ২ আগস্ট ২০২১; ৯:৩২ পূর্বাহ্ণ


শিক্ষার্থী রুবাইয়াত শারমিন রুম্পা হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।শুক্রবার (৬ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ক্যাম্পাসের ফটক থেকে অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে যান। সেখানে থেকে তারা রুম্পা হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেন।

রুম্পা স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্রী ছিলেন। তিনি মালিবাগের শান্তিবাগে মা ও ভাইয়ের সঙ্গে থাকতেন। তার বাবা রোকনউদ্দিন হবিগঞ্জ জেলা পুলিশে কর্মরত।

বুধবার রাত পৌনে ১১টার দিকে সিদ্ধেশ্বরীর ৬৪/৪ নম্বর বাসার নিচে অজ্ঞাত তরুণীর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। যে জায়গায় এ ঘটনা, তার আশপাশে বেশকিছু ছেলে ও মেয়েদের হোস্টেল রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

ময়নাতদন্ত শেষে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা, সোহেল মাহমুদ জানিয়েছেন, ধর্ষণের পর রুম্পাকে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।তার শরীরের ইনজুরিগুলো দেখে মনে হচ্ছে সে উঁচু কোনো জায়গা থেকে পড়ে মারা গেছে। তার শরীর থেকে আলামত সংগ্রহ করে ফরেনসিকে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান ডা, সোহেল।

রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা( ওসি)মনিরুল ইসলাম বলেছেন, ঘটনাস্থলের পাশে তিনটা বিল্ডিং আছে, তিনটার যেকোনো একটা থেকে পড়ে মারা গেছে। আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলা তদন্তাধীন।

তবে,  রুম্পা কীভাবে সিদ্ধেশ্বরীর ওই ভবনে গেলেন তা এখনও রহস্যময়। এ ঘটনায় এখনো নির্দিষ্ট করে কাউকে সন্দেহ করতে না পারলেও বন্ধুদের কারো মাধ্যমেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে ধারণা করছে পরিবার।।

রুম্পার চাচা জানিয়েছেন,টিউশনি শেষ করে বাসায় এসে টাকা-পয়সা, মোবাইল সব রেখেই বের হয় রুম্পা। পায়ে হিল ছিল সেটাও খুলে স্লিপার পরেই বের হয়েছে।

এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে রমনা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে।মামলাটি করেছেন থানার এসআই আবুল খায়ের ।তিনি জানান, উঁচু থেকে পড়লে সাধারণত যে ধরনের জখম হয়, রুম্পার শরীরে তেমন আঘাত রয়েছে। অন্যদিকে, ময়না তদন্ত শেষে বৃহস্পতিবার রাতে রুম্পার মরদেহ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সম্পর্কিত লেখা


আরও পড়ুন