, ২০ জুন ২০২১; ৩:৪৮ অপরাহ্ণ


ছবিঃ সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের ২৪০ বছরের ইতিহাসে মাত্র দুজন প্রেসিডেন্ট অভিশংসিত হয়েছিলেন। সেই তালিকায় যুক্ত হলো দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম। ক্ষমতার অপব্যবহার ও কংগ্রেসের কাজে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি—এই দুই অভিযোগ আনা হয়েছে ৪৫তম মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে। ট্রাম্পের মেয়াদে দেশটির রাজনীতিতে বিভাজনের দেয়াল চওড়া হয়েছে। খবর সিএনএনের। 

স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার ডেমোক্র্যাট নিয়ন্ত্রিত প্রতিনিধি পরিষদের ভোটে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অভিশংসিত হয়েছেন। দিনটি দেশটির জাতীয় রাজনীতিতে এক ‘কালো দিন’ হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে এর আগে প্রতিনিধি পরিষদে অভিশংসিত হন সাবেক প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড্রু জনসন ও বিল ক্লিনটন। তবে দুজনই উচ্চকক্ষ সিনেটে পার পেয়ে যান। রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের জন্য বিরোধী দল ডেমোক্রেটিক পার্টির নির্বাচনী কার্যালয়ে আড়িপাতার জন্য সাবেক প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনের বিরুদ্ধেও অভিশংসন কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। কিন্তু পরিস্থিতি অনুধাবন করে আগেই পদত্যাগ করেন তিনি। ক্ষমতা গ্রহণের তিন বছরের মধ্যে অভিশংসনের মুখে থাকা ট্রাম্প অভিশংসনে নেতৃত্ব দেওয়া বিরোধী ডেমোক্র্যাটদের ওপর বেজায় খ্যাপা। ভোটাভুটি শুরুর আগের দিন স্পিকার ন্যান্সি পেলোসিকে চিঠি লিখে সেই ক্ষোভ ঝেড়েছেন তিনি। একই সঙ্গে অভিশংসনের মতো কোনো কাজ করেননি বলেও দাবি করেছেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ট্রাম্প অভিশংসিত হয়ে ক্ষমতা ছাড়লেও সেই ক্ষত মার্কিন রাজনীতিকে বয়ে বেড়াতে হবে বহু দিন। অভিশংসনের বিষয়ে জনমত সেটাই বলে। সিএনএনের এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, ৪৬ শতাংশ মানুষ ট্রাম্পের অভিশংসন ও ক্ষমতা থেকে অপসারণের পক্ষে। অন্যদিকে ৪৯ শতাংশ মানুষ তা চান না।

সম্পর্কিত লেখা


আরও পড়ুন