মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১; ৮:০৩ পূর্বাহ্ণ


নাগরিকত্ব আইন বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভে নেতৃত্ব দেয়া দলিতদের সংগঠন ভীম আর্মির প্রধান চন্দ্রশেখর আজাদকে গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশ।

শুক্রবার দিল্লি জামে মসজিদের সামনে থেকে তাকে আটক করলেও তাকে আটকে রাখা যায়নি। পুলিশ তাকে ভ্যানে তোলার আগেই তিনি হাত ছাড়িয়ে ফের মিছিলে সামিল হন।

শনিবার দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ ভীম সেনাপ্রধান চন্দ্রশেখর আজাদকে গ্রেফতার করে। এসময় তার সঙ্গে থাকা আরও ১৫ জনকে আটক করা হয়।

দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, জামে মসজিদ চত্বর থেকে চন্দ্রশেখরকে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে অনুমতি ছাড়া প্রতিবাদ মিছিল করা ও উস্কানির অভিযোগ রয়েছে। শুক্রবার জামে মসজিদ থেকে যন্তরমন্তর পর্যন্ত প্রতিবাদ মিছিলে জড়ো হয়েছিলেন অসংখ্য মানুষ। বিক্ষোভ প্রদর্শনের পর মসজিদেই আশ্রয় নিয়েছিলেন চন্দ্রশেখর। পুলিশের সঙ্গে কার্যত লুকোচুরি খেলা শুরু করেন তিনি।

শুক্রবার রাত দেড়টা নাগাদ পুলিশের চোখ এড়িয়ে জামে মসজিদে ঢুকে পড়েছিলেন চন্দ্রশেখর। তিনি সেখানে আশ্রয় নিতে পারেন তা অনুমান করে মসজিদের বাইরে ছিল পুলিশ। পুলিশের চোখের সামনে দিয়ে কীভাবে মসজিদে ঢুকেছিলেন আজাদ?

চন্দ্রশেখর জানিয়েছেন, টুপি ও শালে নিজেকে মুড়ে মসজিদে ঢুকে পড়েন তিনি। আজাদের দাবি, আমার নাম চন্দ্রশেখর আজাদ। পুলিশ আমাদের বন্দি করে রাখতে পারবে না। আমি টুপি পরে ও শাল গায়ে দিয়ে মসজিদে ঢুকে পড়ি।

আনন্দবাজার জানিয়েছে, চন্দ্র শেখরকে মসজিদের বাইরে আনার চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন দিল্লি পুলিশ অফিসাররা। অবশেষে রাত ৩.১৫ এর দিকে নাটকের অবসান ঘটে। চন্দ্র শেখর মসজিদের বাইরে বেরিয়ে আসতে সম্মত হন। তারপর তাকে প্রথমে আটক এবং পরে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশের হাতে আটক হওয়ার পর বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে বার্তাও দিয়েছেন ভীম সেনাপ্রধান। উস্কানীর অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, আমাদের আত্ম উৎসর্গ করতে হবে যাতে এই আইন প্রত্যাহার করতে সরকার বাধ্য হয়। আমরা হিংসাকে সমর্থন করি না। আমরা শুক্রবার থেকে জামে মসজিদের ভিতরেই বসেছিলাম। আমাদের সমর্থকরা হিংসায় বিশ্বাস করে না।

শুক্রবার ভীম আর্মির মিছিলের সময় সহিংসতার দায় দিল্লি পুলিশের ওপরই চাপিয়েছেন তিনি।

সম্পর্কিত লেখা


আরও পড়ুন