মঙ্গলবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১; ২:১৮ পূর্বাহ্ণ


আইসিজেতে রোহিঙ্গাদের গণহত্যার অভিযোগে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে করা গাম্বিয়ার মামলার আদেশ দেয়া হবে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি)। নেদারল্যান্ডসের স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় (বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩ টায়) আদেশ দেবেন আন্তর্জাতিক বিচার আদালত। এই আদালতের প্রেসিডেন্ট আব্দুল কাউইম আহমেদ ইউসুফ এই আদেশ দেবেন। আন্তর্জাতিক বিচার আদালত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

গাম্বিয়ার অ্যাটর্নি জেনারেল ও বিচারমন্ত্রী আবু বকর তামবাদু গত ১১ নভেম্বর জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) মিয়ানমারের বিরুদ্ধে এ মামলা করেন। মিয়ানমারের বিরুদ্ধে সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে গণহত্যা চালানোর অভিযোগ আনেন তিনি।

আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা নিষ্পত্তি হতে দীর্ঘ কয়েক বছর সময় প্রয়োজন। তাই মিয়ানমারের বিরুদ্ধে করা ওই মামলায় গাম্বিয়া মূল বিচার শুরুর আগে অন্তর্র্বতীকালীন পদক্ষেপের জন্য আইসিজের কাছে আবেদন করে। এ বিষয়ে গত ১০ থেকে ১২ ডিসেম্বর নেদারল্যান্ডসের হেগে শুনানি হয়।

রোহিঙ্গাদের সুরক্ষা প্রদান ও রাখাইনে গণহত্যার আলামত নষ্টের বিভিন্ন অভিযোগের ওপর এই শুনানি হয়। রোহিঙ্গাদের সুরক্ষার জন্য জরুরি পদক্ষেপ নেয়ার নির্দেশ দিতে আদালতের প্রতি আহ্বান জানায় পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়া। ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) পক্ষে মামলা করা গাম্বিয়া মিয়ানমারের গণহত্যার আচরণ অবিলম্বে বন্ধ করার ব্যবস্থা বিষয়ে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতকে জরুরিভাবে আদেশ দেয়ার আহ্বান জানায়।

গাম্বিয়ার অ্যাটর্নি জেনারেল ও বিচারমন্ত্রী আবু বকর তামবাদু ওই সময় এক বিবৃতিতে বলেন, রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মিয়ানমারের চালানো গণহত্যার বিচার ও জবাবদিহি চাইতে এবং গণহত্যার বিরুদ্ধে বৈশ্বিক আচরণ যা সব রাষ্ট্রের জন্য বাধ্যতামূলক তাকে সমর্থন ও জোরদার করতে গাম্বিয়া এ পদক্ষেপ নিচ্ছে। শুনানি শেষে এক বিজ্ঞপ্তিতে আইসিজে জানান, যথাযথ সময়ে একটি বৈঠকের মাধ্যমে অন্তর্র্বতীকালীন পদক্ষেপের নির্দেশনার আবেদনের বিষয়ে আইসিজে সিদ্ধান্ত জানাবেন।

আইসিজেতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গাম্বিয়ার এই আবেদনের পর গত ১০ ডিসেম্বর শুরু হয় শুনানি। প্রথম দিন শুনানি করে গাম্বিয়া। আর পরদিন শুনানি করে মিয়ানমার। আর ১২ ডিসেম্বর শেষ হয় শুনানি। এরপর গত ১৫ জানুয়ারি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আইসিজে জানায় এই আবেদনের আদেশ দেয়া হবে ২৩ জানুয়ারি।

সম্পর্কিত লেখা


আরও পড়ুন