মঙ্গলবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১; ১:৫৫ পূর্বাহ্ণ


৩১ মার্চ পর্যন্ত সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। আমাদের মনে রাখতে হবে- এটি কোন ‘বিনোদন ছুটি’ নয়। এটি করোনা ভাইরাস সংক্রমণের মতো একটি জাতীয় দুর্যোগ প্রতিরোধ করার জন্য ‘Protective Action’ বা সতর্কতামূলক পদক্ষেপ। এই ছুটি প্রদান করা হয়েছে যাতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট সবাই নিজ নিজ বাড়িতে অবস্থান করে, গণ-জমায়েত হওয়া থেকে যেন বিরত থাকতে পারে কারন পাবলিক এসেম্বলি ও মুভমেন্ট এই ভাইরাস ছড়ানোর মূল উৎস।

বাংলাদেশের মতো ঘন-বসতির একটি দেশে যেখানে স্বাস্থ্যসেবার অপ্রতুলতা প্রকট, জনগণের বৃহত্তর অংশ অসচেতন এবং আইন অমান্য করার মানসিকতা যে সমাজে একটি সহজাত প্রবণতা- সেখানে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় আইন বা শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে এই ধরণের সতর্কতামূলক পদক্ষেপ ব্যক্তি পর্যায়ে বাস্তবায়ন করা প্রায় অসাধ্য একটি ব্যাপার। তাই নিজেরা সচেতন হওয়া ছাড়া বিকল্প নেই।

এই ছুটিতে খুশি হয়ে পরিবার-পরিজন-বন্ধু নিয়ে দেশের পর্যটনস্থান ঘুরে বেড়ানোর পরিকল্পনা অনুগ্রহ করে বাদ দিন। সিলেট-কক্সবাজার-রাঙ্গামাটি-বান্দরবান-খাগড়াছড়ি সহ অন্যান্য পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে পর্যটকদের প্রবেশ ও অবস্থানের উপর দ্রুত কঠোর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া প্রয়োজন, বিয়ে-জন্মদিন-মেজবান-খতনা-সেমিনার- ওয়ার্কশপ-কনফারেন্সসহ সব সামাজিক অনুষ্ঠান স্থগিত করে গণ-জমায়েত রোধ করতে হবে। মূলকথা- এই ছুটির ১৪ দিন নিজ বাড়িতে নিজেকে আটকে রাখতে হবে। একইসাথে করোনা প্রতিরোধে যে স্বাস্থ্য নির্দেশিকা প্রচারিত আছে- সেগুলো অনুসরণ করতে হবে।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে এই মহাদুর্যোগ থেকে হেফাজত করুন।

সম্পর্কিত লেখা


আরও পড়ুন