, ১ জানুয়ারি ২০২১; ১২:১৩ অপরাহ্ণ


টিপু সুলতান 

ভারতবর্ষের ইতিহাসে টিপু সুলতানের ইতিহাস বিভিন্ন দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর বীরত্ব, প্রজ্ঞা, সাহসী ব্যক্তিত্ব এবং ব্রিটেনের ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে জীবন উৎসর্গের ঘটনা—আজো উপমহাদেশের জনসাধারণকে ভীষণভাবে আলোড়িত করে।‘শেরে মহীশূর’ নামে সুপরিচিত এই মহাবীর ছিলেন—কর্ণাটকের মহীশূর রাজ্যের শাসনকর্তা। ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সাম্রাজ্যবাদের নীল নকশাকে যেসব অকুতোভয় যোদ্ধা অসীম সাহসে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিলেন, টিপু সুলতান তাদের অগ্রগণ্য।

ঐতিহাসিক জন হেনরি বর্ণনা করেছেন, ‘‘Tipu Sultan was one of the first Indian kings to be martyred on the battlefield while defending his Kingdom against the Colonial British.’’

তাঁর জন্ম ১৭৫০ সালের ২০ নভেম্বর। টিপু শৈশব থেকেই অত্যন্ত প্রতিভাবান ছিলেন। বাবা হায়দার আলীর তত্বাবধানে শৈশবেই তালিম নেন কুরআন, হাদিস, উর্দূ, ফারসি, রাজনীতি ও ইতিহাসের উপর। সামরিক প্রশিক্ষণের হাতে খড়ি হয়, বাবার বন্ধু সেনাপতি গাজী খানের মাধ্যমে। অশ্বারোহণ, বন্দুক চালনা, তীরন্দাজী, তলোয়ার চালনা সব কিছুতেই ছিল তাঁর নিপুণ দক্ষতা। সামরিক ক্ষেত্রে টিপুর সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিকটি হল—তার উদ্ভাবনী কৌশল তথা ইম্প্রোভাইজেশন। সেনাবাহিনীকে বিভিন্নভাবে মুভ করাতেন যুদ্ধক্ষেত্রে। ভৌগোলিক সুবিধা আদায়ের চিন্তা প্রয়োগ করতেন সবসময়। শত্রুকে ডান-বাম, অগ্র-পশ্চাৎ সবদিক থেকেই পরিবেষ্টনের চেষ্টা থাকত তার। ময়দানের পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে পারতেন। অশ্বারোহী, পদাতিক ও এলিট ফোর্সকে নিজেই সামনে থেকে লিড দিতেন। ইম্প্রোভাইজেশনের যোগ্যতা থাকায়, প্রতিপক্ষ তাকে সহসাই ঘায়েলের উপায় বের করতে পারতনা। তরুণ বয়সেই বড় বড় যুদ্ধের অভিজ্ঞতা তাকে পরিণত করেছিল—এক যুগান্তকারী জেনারেলে।

টিপুর মন-মানসিকতায় নতুনত্বের প্রতি ঝোঁক দেখা যায় বেশ। সবচেয়ে বড় কথা হল—তিনি নিজের সময় থেকে এগিয়ে গিয়ে চিন্তার করার সক্ষমতা রাখতেন।সব সময়ই আপডেট থাকতে পছন্দ করতেন। উন্নত প্রযুক্তি ও ওয়ার ট্যাকটিক্স নিয়ে চলত তাঁর একান্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা। ‘ফ্লিন্টলক ব্লান্ডার বাস’ নামক সে যুগের সবচেয়ে উন্নত বন্দুক তিনি ফ্রান্স থেকে তৈরী করিয়েছিলেন নিজের সৈন্যদের জন্য।

রকেট লাঞ্চার বা স্বল্পপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র আবিষ্কার করেছিলেন, সেই একই প্রগতিশীল চিন্তা থেকে। দুই কিলোমিটার রেঞ্জের সেই রকেটগুলো কতোটা কার্যকর ছিল, তা তাঁর সবচেয়ে বড় শত্রু ইংরেজরা ভালোই অনুধাবন করেছিল সেসময়। বিজ্ঞান অবশ্য রকেট আবিষ্কারের জন্য টিপুকে কোনো কৃতিত্বই দেয়নি। এমন যুগান্তকারী আবিষ্কারের সুবিধাটা বরং ভোগ করেছিল—তাঁর আজীবনের শত্রু ব্রিটিশরা। টিপুর মৃত্যুর পর, রকেট লাঞ্চার নিয়ে উচ্চতর গবেষণা সম্পন্ন করে ইংরেজরা। নেপোলিয়ন বোনাপার্টের বিরুদ্ধে ইউরোপের রণক্ষেত্রে এইসব রকেটের পরিপূর্ণ ব্যবহার করে তারা।

টিপুর ব্যবহৃৎ ফ্লিন্টলক রাইফেল

দেশকে সাম্রাজ্যবাদের আগ্রাসন থেকে মুক্ত করার বিপ্লবী চরিত্রই তাঁর একমাত্র পরিচয় নয়। এর সাথে আরেকটি বিষয় যোগ করা উচিত, তা হল—ভারতে অসাম্প্রদায়িক ও ইনসাফভিত্তিক শাসনব্যবস্থা কায়েমে তাঁর অবিচল মনোভাব ও প্রচেষ্টা। ইসলামের স্পিরিট তাঁর মাঝে প্রবাহিত হওয়া সত্ত্বেও সব ধর্মের প্রতি তাঁর ছিল অপরিসীম ভক্তি ও শ্রদ্ধা। শুধু দেশপ্রেমিক খেতাব দিলেই, তাঁর পরিপূর্ণ মূল্যায়ণ হয়না।

এইচ. ডি. শর্মার উক্তি এক্ষেত্রে প্রণিধানযোগ্য, ‘‘Tipu Sultan used this title and declared that he intended to establish an Islamic empire in the entire country, along the lines of the Mughal Empire, which was at its decline during the period in question ‘’

১৭৬৬ সাল থেকে ১৭৭৯ সাল পর্যন্ত, তাঁকে অংশ নিতে হয় অনেক কয়টি বড় যুদ্ধ। প্রথম ও দ্বিতীয় অ্যাংলো মহীশূর যুদ্ধে ইংরেজরা উপযুক্ত প্রস্তুতি নিয়েও, হায়দার আলী ও টিপুর কাছে পরাস্ত হয়। ১৭৮১ সালে, টিপু মহীশূর সালতানাতের শাসনকর্তা হন। ইংরেজদের অবৈধ সম্প্রসারণবাদকে মোকাবেলাই ছিল, তাঁর সবচেয়ে বড় চ্যা্লেঞ্জ।  অন্যদিকে মারাঠাদের অনৈক্যের নীতি ছিল তাঁর জন্য দ্বিতীয় বড় চ্যালেঞ্জ। মারাঠাদের সাথে ঐক্যবদ্ধ হতে পারলে, ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে টিপুর লড়াই অবশ্যই সহজ হত। কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি। অন্যদিকে হায়দ্রাবাদের নিজামের অসহযোগী মনোভাবও তাঁকে বিপন্ন করেছে বারবার। সবদিক থেকে শত্রু পরিবেষ্টিত হয়েও, তিনি লড়াই করে গেছেন ঠিক বাঘের মতই।

তৃতীয় অ্যাংলো-মহীশূর লড়াইয়ের পর, ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া তার পুরনো কৌশল অর্থাৎ ষড়যন্ত্র তত্বকে আরো কার্যকরভাবে ব্যবহারের সিদ্ধা্ন্ত নেয়। স্বদেশের মাটিতে প্রায় নিঃসঙ্গ টিপুর জন্য, যা ছিল ভয়ংকর এক অস্ত্র। পুরনো এই কৌশলের উপুর্যপরি ব্যবহার—তাঁর শক্তিমত্তাকে ভয়াবহ সংকটের সম্মুখীন করে। পার্শ্ববর্তী রাজ্যগুলোর সাথে টিপুর নেয়া মৈত্রীর উদ্যোগ ব্যর্থ হয় নিদারুণভাবে। এদিকে মারাঠারা পুরনো শত্রুতার জেরে, মহীশূর রাজ্যের জন্য সশস্ত্র যুদ্ধের প্রস্তুতি নেয়। হায়দ্রাবাদের নিজামও যোগ দেয় সেই অ্যালায়েন্সে। ব্রিটিশরা উপলব্ধি করল—মিত্রহীন টিপু সুলতান তাঁর একক শক্তি দিয়ে ইংরেজ আধিপত্য মোকাবেলা করতে পারবেননা। তাই ১৭৯৭ সাল থেকে শুরু হল, চূড়ান্ত যুদ্ধের প্রস্তুতি।

দূরদর্শী টিপু ফ্রান্সের সমরনায়ক ও পরবর্তী সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্টের সহায়তা চাইলেন। নেপোলিয়ন সাহায্যের আশ্বাস দিয়ে চিঠি লিখলেন বটে; কিন্তু সে চিঠি টিপুর আগেই ইংরেজদের হাতে গিয়ে পড়ল। ১৭৯৯ সালের মে মাসের ৪ তারিখ। অবশেষে মারাঠা, ইংরেজ ও নিজামের সমন্বিত বাহিনী জমায়েত হল, টিপুর রাজধানী শ্রীরঙ্গপট্টমের সামনে। ইংরেজ বাহিনীর নেতৃত্বে ছিলেন আর্থার ওয়েলেসলি, যিনি পরবর্তীতে ওয়াটার লু’র যুদ্ধে নেপোলিয়নকে হারানোর পর ‘ডিউক অব ওয়েলিংটন ‘ উপাধি লাভ করেন।

৫০ হাজারেরও বেশী শত্রু সৈন্যের বিপরীতে টিপু সুলতানের শিবিরে ছিল ৩০ হাজার দেশপ্রেমিক যোদ্ধা। মীর সাদিক ও অন্যান্য বিশ্বাসঘাতকদের সহায়তায় টিপুর দূর্গের ফটক উৎপাটনে বেগ পেতে হয়নি শত্রুপক্ষকে। শত্রুবেষ্টিত টিপুকে পালিয়ে যাবার পরামর্শ দিলেন ফরাসি সেনা উপদেষ্টারা। কিন্তু অকুতোভয় শেরে মহীশূরের মুখ থেকে বেরিয়ে এল, “One day of life as a Tiger is far better than thousand years of living as a Sheep”. ফলে মাতৃভূমি ও আদর্শের জন্য শাহাদাতের মৃত্যুকেই বেছে নিলেন, মহীশূরের বাঘ। মৃত্যুর পর, আঘাতে আঘাতে জর্জরিত শরীরেও দেখা গেল—তাঁর মুঠিতে ধরা সেই কিংবদন্তী তরবারি। ঠিক যেন বজ্রের মত পড়তে চাইছিল জালিমদের মাথায়। টিপুর জীবনাবসানে, অপূর্ণ থেকে গেল- জন্মভূমিকে শত্রুমুক্ত করার আজীবনের স্বপ্ন। অপূর্ণ রইল শত্রমুক্ত, অখন্ড সালতানাত প্রতিষ্ঠার বাসনা। সততা, দেশপ্রেম, সাহস আর বীরত্বের বিপরীতে জয় হল শঠতা, নীচতা ও মীর সাদিকদের বিশ্বাসঘাতকতার।

শ্রীরঙ্গপট্টমের যুদ্ধে শাহাদত বরণ করছেন টিপু সুলতান

টিপুর পরাজয়ের কারণসমূহ: এবার টিপু সুলতানের পরাজায়ের কারণগুলো একটু পর্যালোচনা করা যাক। তাঁর পরাজয়ের কারণ হিসেবে প্রথমেই উঠে আসবে, শক্তির তারতম্য। কারন, মহীশূরের একক শক্তিকে লড়তে হয়েছিল ইংরেজ, মারাঠা ও হাযদ্রাবাদের সমন্বিত শক্তির বিরুদ্ধে। তাই পরাজয়টা এক প্রকার অনুমিতই ছিল। দ্বিতীয়ত, মীর সাদিক গংদের বিশ্বাসঘাতকতার জন্য সুলতানের উপর আকস্মিকভাবে আক্রমণের সুযোগ পায় ইংরেজরা। তা নাহলে টিপুকে এভাবে ঘায়েল করা মোটেও সহজ হতনা।

তৃতীয়ত, আমরা জানি যে, সুলতানের সার্বিক শক্তিমত্তাকে ব্রিটিশরা বেশ ভালোভাবেই বিশ্লেষণের সুযোগ পেয়েছিল। সুকৌশলে তারা টিপুর শত্রু মারাঠা ও নিজামের শক্তিকে সমবেত করেছিল নিজেদের পক্ষে। প্রাসাদ ষড়যন্ত্রের ভূমিকাও এক্ষেত্রে কম নয়। সুলতানকে বাইরের দৃশ্যমান শক্তির পাশাপাশি ঘরের শত্রুদেরও মোকাবেলা করতে হয়েছে বারবার। এছাড়া তাঁর নামে অনেক বানোয়াট ও ভিত্তিহীন অভিযোগ করা হয়েছে যে, ‘তিনি জোর করে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মুসলমান করেছেন বা তাদের মন্দির ধ্বংস করেছেন।’ অথচ এসব কিছু ছিল ধূর্ত ইংরেজদের চাল। টিপুর চরিত্রেকে কলুষিত করার জন্য এবং হিন্দু-মুসলিম ঐক্যে ফাটল ধরানোর জন্যই এই প্রোপাগান্ডাগুলো চালানো হয়েছিল। বস্তুত তিনি ছিলেন উদার, মহানুভব ও অসাম্প্রদায়িক একজন শাসক।

চতুর্থত, আমরা বলতে পারি যে, ব্রিটিশরা শিল্প বিপ্লব ও ইউরোপিয় রেঁনেসার সুবাদে, বিশ্বব্যাপি এক অপ্রতিহত শক্তি হিসেবে আবির্ভুত হয়েছিল। সেসময়ের সর্বোচ্চ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ছিল তাদের পাশে। সমরাস্ত্র ও যুদ্ধকৌশলে বৃটিশদের পরাভূত করবার মত শক্তি, সেসময় পৃথিবীতে আর কারোই ছিলনা। একমাত্র নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ছাড়া, তারা আর কারো দ্বারা বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়নি। এছাড়া তারা ষড়যন্ত্র ও কূটকৌশল প্রয়োগেও দক্ষ ছিল। সামনে থেকে শত্রুর মোকাবেলার চেয়ে কন্সপিরেসি দিয়ে তাকে ঘায়েল করাকে তারা বেশি প্রাধান্য দিত।

পঞ্চমত, টিপু যখন একাধিক শত্রুর সাথে লড়েছেন চতুর্দিক থেকে, সেই অবসরে ইংরেজরা তখন দেশের প্রশাসন ও রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে ধীর-স্থিরভাবে পরিকল্পনা প্রণয়ন করে যুদ্ধে নামে। তাদের জেনারেল ও সৈনিকরা উন্নত অস্ত্র-শস্ত্র ও রসদ পেয়েছে নিরবিচ্ছিন্নভাবে। টিপু সেই তুলনায়, দেশীয় রাজা ও জমিদারদের কাছ থেকে কোনো সহায়তাই পাননি। নিজের উদ্ভাবনী শক্তি ও পুরনো মিত্র ফ্রান্সের অল্প-বিস্তর সমর সহায়তাই ছিল তার একমাত্র প্লাস পয়েন্ট। যেসময় ভারতবর্ষের বৃহত্তর স্বার্থে, সব শত্রতা পরিত্যাগ করে, সবার সম্মিলিত হবার প্রয়োজন ছিল সবচেয়ে বেশী, সেসময়ই জাতিগত বিভেদ ও ধর্মীয় বিভাজন এমন এক পরিখা খনন করে—যা কেবল ব্রিটিশ শাসনের পথকেই সুগম করে তুলেছিল।

তারপরও টিপু সুলতান ইতিহাসের এক মহাসন্ধিক্ষণে, ভারতের মজলুম মানুষের স্বাধীনতা ও সুশাসনের জন্য আমৃত্যু লড়াই করেছেন, এটাই তাঁর সার্থকতা। জীবন দিয়ে হয়তো আযাদীর উদ্দেশ্য পূরণ করতে পারেননি; কিন্তু ইতিহাসে এমন এক গৌরবোজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন—যা স্বাধীনতাকামী মজলুম মানুষদের প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে চিরকাল। আজকের বিশ্ব পরিস্থিতিতে একজন বিপ্লবী চিন্তানায়ক, স্বাধীনতাকামী ও আদর্শ প্রতিষ্ঠার যোদ্ধা হিসেবে, তাঁর প্রকৃত ইতিহাস সত্যিই এক বিস্ময়কর অধ্যায়! হিম্মত হারানো পর্যুদস্ত এই দেশ ও সমাজ, টিপু সুলতানের স্পিরিট থেকে বলীয়ান হওয়ার উপাদান অবশ্যই লাভ করবে।

১৯৯০ সালে, ভগওয়ান এস. গিদওয়ানীর উপন্যাস অবলম্বনে তৈরী হয়— ‘দি সোর্ড অব টিপু সুলতান’ নামক ঐতিহাসিক মেগা সিরিয়াল। সঞ্জয় খানের পরিচালনায়, সেই সিরিয়ালটি উপমহাদেশের মানুষকে দিয়েছিল—টিপু সুলতানের জীবন ও ইতিহাসের অনুপম প্রেরণা। অন্যায় ও জুলুমের বিপক্ষে এদের মত মহান যোদ্ধাদের জীবন, আরো বেশী করে চিত্রিত করা প্রয়োজন। তাদের ঘিরে চিন্তার পুনর্গঠন, আলোচনার বিস্তার, চলচ্চিত্র-ডকুমেন্টারি নির্মাণ ইত্যাদি কাজ যতো বৃদ্ধি পাবে, তার সমানুপাতে সমাজে শুভ শক্তির সাংস্কৃতিক বিকাশও দ্রুততর হবে। নসীম হিজাজী টিপু সুলতানকে নিয়ে লিখেছেন তাঁর অমর উপন্যাস—‘আওর তলোয়ার টুট গ্যায়ি’। শেষ করব ঐতিহাসিক মহিবুল হাসানের উক্তি দিয়ে, ‘‘Despite the controversies, Tipu Sultan is still viewed as a patriot who played a huge part, along with his father, in delaying the British from taking over the whole of Deccan. He fully understood the threat posed by the British and resisted their advance till his last breath.’’

  • তথ্যসূত্র:
  • ১) History of Tipu Sultan by Mohibbul Hasan
  • ২) টিপু সুলতানের তরবারি, ভগওয়ান.এস গিদওয়ানি
  • ৩) আওর তলওয়ার টুট গ্যায়ি, নসীম হিজাজী
  • ৪) War, Culture and Society in Early Modern South Asia, 1740–1849, by Kaushik Roy
  • ৫) Confronting Colonialism: Resistance and Modernization Under Haidar Ali & Tipu Sultan by Irfan Habib.

সম্পর্কিত লেখা


আরও পড়ুন