মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১; ৩:৪০ অপরাহ্ণ


আজ বুধবার, ২ মে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন যে- কোটা সংস্কার আন্দোলনে যারা সক্রিয় ছিল, তাদের সব ডাটা তো আছে, ছবি আছে। তারা যদি পরে চাকরি না পেয়ে জেলা কোটার জন্য কান্নাকাটি করে তাতে আমার কিছু করার থাকবে না।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ছাত্রছাত্রীরা কোটা চায় না বলেই সেটি বাতিল করে দিয়েছি। এখানে ক্ষোভের তো কোনো কারণ নেই। ছাত্রদের দাবি ছিল কোটা চায় না। তাই আমরা বাতিল করেছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন “কোটা থাকবে কি থাকবে না সেটি ছাত্রদের বিষয় না। এটি সরকারের নীতি নির্ধারণের বিষয়। কিন্তু হঠাৎ করেই তারা কোটার বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেমে গেছে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে যেসব ছাত্রছাত্রী পড়ালেখা করে তারা তো নামকাওয়াস্তে পড়ে। বলতে গেলে বিনা পয়সায় সবাই পড়ালেখা করছে। তারপরও যেহেতু এত দাবি করছে, তাই আমি দাবি মেনে নিয়েছি। এটা নিয়ে এত কথার কী আছে?”

প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্যের মাধ্যমে মনে হয়েছে, সরকার বোধ হয় এই ডাটা সরকারী নিয়োগ কিংবা সুযোগ-সুবিধা বন্টনের সময় ব্যবহার করবে। যদি এটি করা হয় তাহলে সেটা খুব একটা সুবিবেচিত কাজ হবে না। কারণ, জনপ্রজাতন্ত্রে আন্দোলন-সংগ্রাম-বিক্ষোভ গণতান্ত্রিক অধিকার। এই অধিকার প্রয়োগের কারণে যদি কেউ বঞ্চনার স্বীকার হয় সেটা হবে একটি গনতান্ত্রিক রাষ্ট্রের নীতি ও আদর্শের সাথে সাংঘর্ষিক। কারণ জনপ্রজাতন্ত্রে কে চাকুরি পাবে কিংবা কে পাবে না সেটা রাষ্ট্রীয় আইন দ্বারাই নির্ধারিত। প্রধানমন্ত্রী সেখানে হস্তক্ষেপ করতে পারেন না।

সম্পর্কিত লেখা


আরও পড়ুন