, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১; ১০:০৯ অপরাহ্ণ


“আমরা স্বামী-স্ত্রী বদলাতে পারি। বদলাতে পারি ধর্ম কিংবা বিশ্বাসও৷ পরিশ্রম করলে ভাগ্যও বদলে যায় কিন্তু একটি দেশের প্রতিবেশী বদলানো যায়না”

– আলতাফ পারভেজ

সত্যিই প্রতিবেশি আমরা বদলাতে পারিনা। যেটা পারি তা হলো প্রতিবেশির সম্পর্কে ভালোভাবে জানা এবং তাদের সাথে সম্পর্কের বিভিন্ন দিককে প্রতিনিয়ত অদলবদলের সাথে পাঠ করা। যদিও সে ইচ্ছা আমাদের আছে বলে কখনো মনে হয়নি। 

ধরুন মায়ানমার থেকে যখন রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ঢল নামলো তখন বাংলাদেশে বর্মা নিয়ে কথা বলার জন্য স্পেশালিস্ট পাওয়া যাচ্ছিলোনা। অথচ বহুকাল ধরে আমরা প্রতিবেশি। অর্থনৈতিক কিংবা রাজনৈতিক যোগাযোগ ছাড়াও আরাকানের সাথে আমাদের যোগাযোগ ছিলো অনেকটাই কালচারাল। বাংলা সাহিত্যের অনেক কবিরাই আরাকান থেকে লিখেছেন। তো এটা কেবল মাত্র মনোযোগহীনতা নয় বরং এর প্রতিক্রিয়া হয়েছে আরেকটু বেশিই। যা আমরা এখন টের পাচ্ছি। শেষ পর্যন্ত বর্মা নিয়ে কথা বলতে হয়েছে কেবল মিলিটারি এক্স স্পেশালিস্টদের। আমাদের এরকম প্রতিবেশি আছে এক গুচ্ছ । প্রশ্ন হলো কতটা জানি তাদের ব্যাপারে ?  

ভারত নিয়ে আমরা কতটা জানি? 

আমাদের সব থেকে বড় প্রতিবেশির নাম ভারত। রাজনীতি থেকে অর্থনীতি কিংবা পানির, পিয়াজের মত দৈনন্দিন ইস্যুগুলো নিয়ে আমরা ভারতের সাথে হারদিন দরবার করি। কিন্তু ভারতের অভ্যন্তরীন রাজনীতি নিয়ে আমরা ঠিক কতটা জানি সে প্রশ্নটি করলে খুব সন্তোষজনক জবাব পাওয়া যাবেনা। 

অথচ ভারতের রাজনীতিতে বাংলাদেশ সব সময়ে প্রাসঙ্গিক। আসামের এনআরসি অথবা বাঙ্গাল খেদাও আন্দোলন থেকে চলমান নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন সব খানেই বাংলাদশ একটি পক্ষ।  সেখানকার এমপি মন্ত্রীরা প্রায়ই তাদের হুমকি ধামকিতে বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশীদের প্রতিপক্ষ বানিয়ে থাকেন। সুতরাং ভারত নিয়ে আমাদের জানাবোঝা উন্নত করা এখন আর বিলাসিতা নয় বরং জরুরী। 

বিহার নির্বাচনের হালচাল ও ভারতের ভবিষ্যতের গতিপথ

দীর্ঘ ইতিহাসের যে কোনো সময়ের চেয়ে ভারতের অর্থনীতি এখন ভঙ্গুর অবস্থায় আছে। দেশ জুরে জিডিপি পাচের ঘরের নিচে। বিশ্ব ব্যাংকের তরফ থেকেও বলা হয়েছে এই অবস্থার আপতত উলম্ফনের তেমন কোনো সম্ভবনা নেই। দেশজুরে বিরোধীরাও এখন কিছুটা সরব। এবং রাজনৈতিক ক্ষমতার বাহিরে থাকা সংখ্যালঘু মুসলিম এবং দলিতদের অবস্থায় অতীতের থেকে শোচনীয়। 

 তারপরেও এই সময়ে বিজেপি অতীতের যে কোনো বারের থেকে রাজনৈতিক ভাবে আত্মবিশ্বাসী । বিশ্লেষকদের কাছে এটি কিছুটা আশ্চার্যজনক, তবে বাস্তবতা এমনই। অন্তত দীর্ঘ সময় ধরে তাদের সংকীর্ন হিন্দুত্ববাদী প্রচারনার সুফল আসতে শুরু করেছে। যারা ইন্তেজার তারা করেছিলো।

সিএএ এবং এনআরসি বিরোধী আন্দোলনের ফলে এই অবস্থার কিছুটা পরিবর্তন অবশ্য দেখা যাচ্ছে। হালের দিল্লি নির্বাচনে বিজেপি বাজে ভাবে হেরেছে । সাথে হেরেছে ঝড়খন্ডে রাজ্যেও । এবার নির্বাচনটা বিহারে। ভারতের হিন্দি হার্টল্যান্ডের অন্যতম এলাকা। জনসংখ্যাও প্রথম দিকের রাজ্য৷ করোনা মহামারির মধ্যেও এই নির্বাচন আয়োজন বুঝিয়ে দিচ্ছে ভারত সরকারের কাছে বিহার বিধানসভার গুরুত্ব। 

বাংলাদেশের কাছেও বিহারের একটি গুরত্ব আছে । কারন ভারত থেকে যে পেয়াজ আমদানী করা হয়, মহারাষ্ট্রের পরে তার একটি বড় অংশ আসে বিহার থেকে। বর্তমানে বাংলাদেশে পেয়াজের এই ব্যাপক দাম বৃদ্ধির পিছনেও বিহার নির্বাচনের একটা ভূমিকা আছে। বিশ্লেষকরা বলছেন- বাংলাদেশে পিয়াজ রপ্তানী বন্ধ করে দেয়া হয়েছে বিহার সহ অভ্যন্তরীন বাজারকে স্বাভাবিক রাখার জন্য । কারন নির্বাচনের আগে পন্যের দাম বাড়ানো সরকারের জন্য বিপদও হতে পারে।  

বিহার নির্বাচনে ফ্যাক্টর কি  

অন্যান্য নির্বাচনের মত হিন্দু মুসলিম বাইনারী বিহার নির্বাচনে খুব বেশি গুরত্ব পায়নি কখনো। যদিও বিজেপি এখানে জোট করে ক্ষমতায় আছে। তবে অবস্থা খুব যে ভালো সেটা বলা যাবেনা কারন ঝড়খন্ড নির্বাচনে তারা হেরে গেছে ইতোমধ্যে । ঝাড়খন্ড হলো বিহারেরই একটা এক্সটেনশন। যা অতীতে বিহার রাজ্যের অংশ ছিলো।  সেখানে এখন ক্ষমতায় আছে হেমন্ত সরেনের নেতৃত্বে ঝড়খন্ড মুক্তি মোর্চা- কংগ্রেস জোট। 

বিহারের নির্বাচনে মূলত রুটি- রুজি-রোজগারই প্রধান ইস্যু হয়। এবারও হয়েছে।  বিশেষ করে লকডাউনের সময়ে প্রবাসী মজদুরদের যে কষ্টের দৃশ্য পত্রিকায় বারবার এসেছে তার মধ্য অধিকাংশ বিহারের বাসিন্দা। 

কিছুদিন আগে প্রখ্যাত অভিনেতা মনোজ বাজপেয়ীর একটি ভোজপুরী র‍্যাপ গান ভাইরাল হয়েছে নাম “ মুম্বাই ম্যা কা’বা?” “ কি আছে মুম্বাইতে ?” । যেখানে বারবার প্রশ্ন করা হচ্ছিলো কি আছে মুম্বাই তে – যার জন্য সব কিছু ছেড়ে ছুড়ে যেতে হয় সেখানে। আবার গানেই উত্তর দেয়া হয়েছে; মুম্বাইতে আছে রোজগার যা বিহারে নেই। 

দশক ধরে বিজেপি ক্ষমতাসীন রাজ্যে বিহারী শ্রমিকদের একটি বড় অংশ কাজের খোজে মহারাষ্ট্রে গিয়ে প্রবাসী হিসেবে অমানুষিক কষ্ট ভোগ করে। এবং মুম্বাইতে বিহারী খেদাও আসামে বাঙ্গাল খেদাওয়ের মতই একটা আন্দোলন। তবুও বিহারিরা কাজের খোজে মহারাষ্ট্রে পারি জমায়। 

মুম্বাই আর মহারাষ্ট্র বিহার নির্বাচনে ইস্যু হয়েছে এছাড়াও। কিছুদিন আগেই বলিউড অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের আত্মহত্যাকে কেন্দ্র করে বিজেপি  মুম্বাই-মহারাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকা শিবসেনা-ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস- কংগ্রেস সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগিয়ে এসেছে। 

সুশান্তের বাড়ি বিহার রাজ্যে। তাই বিজেপি এখানকার পুলিশ অধিকারি গুপ্তস্বর পান্ডেকে সামনে রেখে সুশান্তের আত্মহত্যাকে বিহার বনাম মহারাষ্ট্র ইস্যু তৈরী করেছিলো। এই ধারনা আরো শক্ত হয় যখন বিজেপি বিহার নির্বাচনের দায়িত্ব দেয় দেবেন্দ্র ফাডনবিসকে। যিনি মহারাষ্ট্রে বিজেপি সরকারের মূখ্যমন্ত্রী ছিলেন এই কিছুদিন আগেও । যদিও কোর্ট থেকে সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুকে আত্নহত্যা বলে জানিয়ে দেয়ার পরে আপাতত সেই ইস্যুর হালে পানি নেই। 

রাজনৈতিক ভারকেন্দ্রে যারা আছেন

বিহারে অনেক দল থাকলেও রাজনৈতিক ভারকেন্দ্রে আছে রাষ্ট্রিয় জনতা দল( আরজেডি) এবং জনতা দল- ইউনাইটেড বা জেডি-ইউ । যার মধ্যে জেডি-ইউ এর সাথে আছে বিজেপি। আরো কিছু দলকে সাথে নিয়ে করা জোট এনডিএ। অপর দিকে আছে বিহার নির্বাচনকে কেন্দ্র করা আরজেডির মহাজোট । যেখানে আরজেডি- কংগ্রেস ছাড়াও আছে তিন বামপন্থী পার্টি সিপি আই ,সিপি এম এবং সিপিআই ( এম এল লিবারেশন) । যারা একই সাথে  ইউপিএ (ইউনাইটেড প্রগ্রেসিভ এলায়েন্স) এর সদস্যও। 

বিহারের একাংশে বরাবই বাম রাজনীতির বেশ নাম ডাক ছিলো । অবিভক্ত সিপিআই এর আমলে সামলে লোক সভা কিংবা বিধানসভার নির্বাচনেও তাদের বেশ শক্তি ছিলো । কিন্তু পরবর্তীতে দুই দফা ভাঙ্গনে সেই শক্তির ভারকেন্দ্র মাওবাদীদের হাতে স্থানন্তর হয়। 

ভারতের মাওবাদী  আন্দোলনের বড় শক্তি মাওয়িস্ট ইউনিটি কেন্দ্র বা এমসিসি বিহারে বেশ শক্তিশালী। এমনকি বর্তমান সংসদীয় ধারার সিপিআই লিবারেশন নিজেও এক কালে সশস্ত্র শ্রেনী সংগ্রামে ছিলো । বর্তমানেও তারা বেশ শক্তিশালী। বিগত বিধানসভা নির্বাচনেও তাদের তিনজন বিধায়ক ছিলো। 

এর বাহিরে দলিত, মুসলিম বা আদিবাসীদের আলাদা আলাদা মোর্চা আছে। পাশাপাশি এককালে আর জেডি কিংবা জেডি-ইউ এর অংশ ছিলেন পরে বের হয়ে আলাদা দল করেছেন এমন লোকজনের মধ্যে সাবেক মুখ্যমন্ত্রী জিতেনরাম মাঝির হিন্দুস্থানী আওয়াম মোর্চা বা দলিত নেতা মুকেশ সাহেনির ভিআইপি পার্টির নামও শোনা যাচ্ছে। যদিও এবারের নির্বাচনে খুব বেশি প্রভাব রাখতে পারবেন না বলেই মনে হয়। 

যারাই জিতুক ক্ষমতায় থাকছে জনতা দলই 

বিহারের ক্ষমতাসীনদের বুঝতে হলে প্রথমে জনতা দলকে বুঝতে হবে । ভারতে জরুরি অবস্থার বিরুদ্ধে লড়াই করে ১৯৭৭ সালে এই দলই প্রথম অকংগ্রেসি দল হিসেবে কেন্দ্রে ক্ষমতা দখল করে জনতা হল। যার প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন প্রখ্যাত স্বাধীনতা সংগ্রামী জয়প্রকাশ নারায়ন সিং বা জেপি সিং । ক্ষমতা গ্রহনের পর মোরারজি দেশাই প্রধানমন্ত্রী হন। এই দলের শক্ত অবস্থান ছিলো বিহারে।  

বিহারে বর্তমান দুই বড় শক্তি লালু প্রসাদ যাদবের রাষ্ট্রীয় জনতা দল( আর জেডি) বা বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী নিতিশ কুমারের জনতা দল- ইউনাইটেড( জেডি-ইউ) মূলত আধুনালুপ্ত সেই জনতা দলেরই ভেঙ্গে যাওয়া অংশ । এর বাহিরে বিজেপি এবং কংগ্রেসও আছে। তবে জাতীয় রাজনীতির বড় দুই দল যে জোটে আছে সেখান থেকে আগেই পরিস্কার করা হয়েছে নির্বাচনে যারাই জিতুন মুখ্যমন্ত্রী পদটি নিতিশ কুমার কিংবা লালু প্রসাদ যাদবের ছেলে তেজস্বী যাদবের মধ্যেই থাকবে। অর্থাৎ জনতা দলের কোনো অংশেই থাকছে ।     

আলোচনায় আছে অপেক্ষাকৃত ছোটরাও 

বিহার নির্বাচনের সব থেকে বড়  চমক ছিলো বিজেপি জোটের অন্যতম সহযোগী রাম বিলাস পাসওয়ানের এলজেপি এর আলাদা নির্বাচনের সিদ্ধান্ত। এলজেপি বা লোক জনশক্তি পার্টি বিহারে মধ্যমসারির দল হলেও নির্বাচনে বরাবরই তারা একটা ফ্যাক্টর । এই দলের প্রতিষ্ঠাতা রাম বিলাস পাসওয়ান বর্তমান ভারতীয় সরকারের মন্ত্রীও ছিলো। বর্তমানে এই দলের নেতৃত্বে আছেন তার ছেলে চিরাগ পাসওয়ান। 

আসন বন্টনের মার প্যাচে এলজেপি আলাদা হয়ে নির্বাচনের ঘোষনা দিলেও তারা বিজেপির জোট ছেড়ে যায়নি। বিজেপির বা জেডি-ইউ এর কাছেও এটা বড় বিষয় ছিলোনা তখন। কিন্তু রাম বিলাস পাসওয়ান গত দুইদিন আগে মারা যান ।  সুতরাং এক্ষেত্রে সিমপ্যাথি ভোট একটা মাথা ব্যাথার কারন এনডিএ জোটের। 

এর বাহিরে আরেকটা জোট আছে বিহারে । সাবেক জেডি-ইউ নেতা উপেন্দ্র কুশওয়াহার দল আরএলএসপি বা লোক সমতা পার্টির নেতৃত্ব এই জোটে আছে  আসাদউদ্দিন ওয়েইসির দল মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন বা এমআইএম ও মায়াবতীর দল বিএসপি। তিন দলের মুখ্যমন্ত্রী প্রার্থী করা হয়েছে কুশওয়াহাকে। বিহারে কুশওয়াহার ভিত্তি হল তাঁর নিজের জাতের পিছিয়ে পড়া শ্রেণির ভোট, এমআইএমের শক্তি মুসলিম ভোট। আর মায়বতীর দলিত সমাজে ব্যাপক জনপ্রিয়তা আছে। যদিও কুশওয়াহা ছাড়া বাকি দুজন বিহারের নন। তবুও তারা যে বিহারে বড় দুই পক্ষের জন্যেই মাথাব্যথার কারন হবে সেটা নিশ্চিত ।  

এর মধ্যে বিহার কিশানগঞ্জ বিধানসভার উপনির্বাচনে এম আই এম এর প্রার্থী জয়ীও হয়েছে। 

আরজেডির জন্য চ্যালেঞ্জ, চ্যালেঞ্জ আছে বিরোধীরও

কৃষিবিল সহ অনেক বিষয় নিয়ে বিহারে বিজেপি জোট সরকার এখন বিপদে আছে। ভারতের কৃষি প্রধান এলাকার মধ্যে বিহার একটি । সুতরাং বিজেপির বিরুদ্ধে চলমান কৃষি বিলের প্রতিবাদ আন্দোলন যে নির্বাচনেও প্রভাব ফেলবে সেটা বলাই বাহুল্য। এমনি সিএএ বিরোধী আন্দোলনেও বিহার বিধানসভায় প্রতিবাদ হয়েছিলো বিলের বিরুদ্ধে প্রস্তাবও পাশ হয়েছিলো। যেখানে খোদ বিজেপি রাজ্য সরকারের অংশিদার। সুতরাং বিজেপি জেডি-ইউ জোট ভালোভাবেই বিপদে আছে ।  

অপর দিকে এই নির্বাচনে রাষ্ট্রীয় জনতা দলের মুখ্যমন্ত্রী দাবীদার তরুণ তেজস্বী যাদব ।  কারন আরজেডি প্রধান লালু প্রসাদ যাদব পশুখাদ্য দুর্নীতি মামলায় তিনি অনেকদিন ধরে জেলে। বিহারের রাজনীতিতে লালু প্রাসাদ যাদবের শক্তি বুঝতে বিহারে একটা প্রবাদ জানতে হবে  “ খানে ম্যায় আলু, বিহার ম্যায় লালু। ইসকে বিনা চালতি নেহি” । 

তাই তেজস্বী যাদবের সামনে চ্যালেঞ্জ দুইটি । এক নিজেকে লালু প্রসাদ যাদবের যোগ্য উত্তরসুরী প্রমানের, দুই বিজেপি এবং জেডি-ইউ এর ১৫ বছরের ক্ষমতার ইতি টানা। 

প্রাক নির্বাচনী অনেক সমীক্ষা জানাচ্ছে আরজেডি এই নির্বাচনে ভালো করবে। লালু-তেজস্বীর পক্ষে আছে ইতিহাসও । একদা বাবরী মসজিফ মুখি বিজেপির রথ যাত্রা থামিয়ে দিয়েছিলেন তেজস্বীর বাবা লালু । এবার লড়াইটা তার হাতে । তবে ফলাফলের জন্য আমাদের অপেক্ষা করতে হবে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত। কারন সেদিনই সিদ্ধান্ত হবে কার হাতে যাচ্ছে বিহারের ক্ষমতার লাঠি৷

সম্পর্কিত লেখা


আরও পড়ুন