রবিবার, ১৯ জুন ২০২১; ৪:১৭ পূর্বাহ্ণ


Photo: Egyptian Eid Celebration

ঈদের আনন্দ চলে গেছে! এখনকি আর ঈদের মজা আছে? বর্তমান আমাদের জেনেরেশনের ভাব নেওয়ার অন্যতম কিছু বুলি এসব। তারা ভাবে এভাবে বললেই মেবি তারা ম্যাচিউর প্রমানিত হচ্ছে – মনে করে এমন করলেই মেবি খানিকটা কুল কুল সাজা যাবে। গত ক’বছর ধরে অনেককে ঈদ কেমন কাটলো- এই প্রশ্নের জবাবে ‘ঘুমিয়ে’ ‘গেম খেলে’ এ জাতীয় উত্তর দিতে দেখেছি।

আমাদের অর্থনৈতিক প্রাচুর্য বেড়েছে- কিন্তু আমাদের ঈদগুলো খোলসে পরিণত হচ্ছে দিন দিন। ঈদের দিনে মন খুলে আনন্দ উল্লাসের ধারাটা এই বাংলা মুলুকে আগেও অনেক প্রভাবশালী ছিলো। কিন্তু এ উৎসবগুলো ধীরে ধীরে এখানে স্থিমিত ও প্রাণশূন্য হতে শুরু করেছে। ঈদ সংস্কৃতির উত্থান মূলত অন্যন্য জাতীর কাছে আমাদেরও উৎসব আছে- আমাদেও তোমাদের চে’ বেশি আনন্দ উ্ল্লাস আছে তা প্রমাণ করার জন্য। কিন্তু আজকাল তাদের উৎসবগুলোর উল্লাস-আনন্দের তুলনায় আমাদের ঈদ কেমন যেন নিষ্প্রাণ। দিওয়ালি উৎসব, পূজো, ক্রিসমাস এসবের যে ঘটা, উল্লাস- আনন্দ ও যে বিস্তৃত প্রভাব – সে তুলনায় ঈদগুলো খুবই নিম্ন পর্যায়ে অবস্থান করছে। বিশেষ করে বাংলা মূলুকে।

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ঈদ এখনও আবেগীয় স্থান ধরে রেখেছে। ফিলিস্তিনের রমজান উদযাপন- আতশবাজি, তারাবাতি ও ঘর সাজানোতো দেখেছেনই এবার। ঈদ উদযাপনেও এই যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটি অনবদ্য। ইন্দোনেশিয়ায় ঈদের দিনটিকে বহুল আনন্দময় করে তোলার জন্য নানা বয়সের মেয়েরা বাহারি সাজে উৎসবে যোগদান করেন। এবং তারা বিভিন্ন ধরনের জীবজন্তুর চিত্র সংবলিত নানা রঙের অসংখ্য বেলুন আকাশে উড়িয়ে থাকেন এসব মহিলা। ওসব দেশের আলেমরা উৎসব-সংস্কৃতি ও দ্বীনকে ভালো ভাবে উপপব্ধি করতে পারেন বিধায় – তারা এসব বিষয়কে উদযাপনেও শামিল হন। নানা ধরনের পসরা নিয়ে মহিলারাও মেলায় হাজির হন। কাগজ, তালপাতা ও অন্যান্য সামগ্রী দিয়ে বিভিন্ন ধরনের খেলনা ও দর্শনীয় সামগ্রী তৈরি করে উৎসবকে প্রাণবন্ত করে তোলেন তারা। এরূপ নানাধরনের আয়োজনের মধ্য দিয়ে ঈদের দিনকে প্রকৃত উৎসবের দিনে পরিণত করা হয় বিশ্বের অন্যান্য সব দেশে। আমেরিকার নিউইয়র্কে অবস্থিত লং আইল্যান্ডের বিশাল ময়দানে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। ম্যানিলা, চায়না, ফালুজা, গাজা স্ট্রিপ, কায়রো এবং তিউনিসিয়াসহ অসংখ্য দেশে নানাভাবে ঈদকে উৎসবমুখর করে তোলা হয়। আর এসব ক্ষেত্রে নারী-পুরুষ সবার সহযোগিতা থাকে। আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতের রাজধানী দিল্লিসহ বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক উৎসব আয়োজন করতে দেখা যায়। ২০১৫ সালের ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের একটি চিত্রে দেখা যায়, বিপুল দর্শকের উপস্থিতিতে একজন মেয়েকে দীর্ঘ বাঁশ হাতে দড়ির ওপর দিয়ে হেঁটে যেতে। বিপুল দর্শকের উপস্থিতি উৎসবের ব্যাপকতা প্রমাণ করেছিলো এই চিত্রে।

ঈদের দিনে মন খোলা আনন্দের ধারণাটা আসে প্রথম নবী মুহাম্মাদের হাত ধরে। ঈদের দিন মুহাম্মদ সা. আয়েশার ঘরে এসে দেখলেন দুটো মেয়ে গান গাচ্ছিলো। তাদের গান চলমান থাকা অবস্থায় নবী তার বিছানায় গিয়ে শুয়ে বিশ্রাম করছিলেন এবং গান শুনছিলেন। আবু বকর এসে মেয়ে দুটিকে ধমক দিতে লাগলেন। তখন নবী বললেন: মেয়ে দুটিকে গাইতে দাও।

Eid Celebration

আবার মদিনায় তখন অলিতে গলিতে ঈদের অনুষ্ঠান হতো। নবীর হুজরার বা নববীর খুব নিকটে একবার আরেকটি অনুষ্ঠান হচ্ছিল, সেখানে লোকজন খেলাধুলা করছিলো। বর্শা বা লাঠি এসব নিয়ে। নবী আয়েশাকে উৎফুল্ল মনে ডেকে বললেন- খেলা দেখবে? আয়েশা বললেন, হ্যাঁ। তিনি তাকে সে অনুষ্ঠানে নিয়ে গেলেন। আয়েশা সহ খেলা দেখলেন। নিজেও এমন উল্লোসিত ছিলেন- তিনি দর্শক সারি থেকে খেলোয়ারদের উৎসাহ দিচ্ছিলেন- “হে বনি আরফেদা, তোমরা শক্ত করে ধর।” এমন এমন।

ঈদের দিনে নবী সম্পূর্ণ রসবোধের মানুষ হয়ে যেতেন। সেখানে কোন ক্ষোভ- গম্ভীরতা এসব থাকতো না। তৎকালীন সমাজে বলবৎ থাকা সকল আনন্দকেই পূর্ণ উপভোগ করতেন তিনি। ঈদে এত বেশিই খুশি থাকতেন যে- নিজের মৃত শত্রুর ছেলেকে রাস্তা থেকে কুড়িয়ে এনে সেদিন নিজের সন্তান বানিয়ে নিলেন।

যাক এসবতো গেলো। আমাদের উপমহাদেশে কি হতো?কেবল চাঁদ দেখা নিয়েই যে আবেগ ছিলো তা মুগ্ধ করার মত। নওয়াববাড়ী বা বিখ্যাত আহসান মঞ্জিল তৎকালীন সময়ে চাঁদ দেখার জন্য নতুন এক জনপ্রিয় স্থানে পরিণত হয়। যদি নতুন চাঁদ দেখা যেত, তবে নওয়াববাড়ী থেকে কামানের ফাঁকা গোলা বর্ষনের মাধ্যমে শহরের সকলকে তা জানিয়ে দেওয়া হত।

সতেরো শতকের সময়েও ঈদের চাঁদ দেখাটা আড়ম্বরপূর্ণ উৎসবে পরিণত হতো। অনেক প্রতিক্ষিত এ দিনটিতে চাঁদ দর্শনের জন্য মানুষ মাঠে ময়দানে অথবা অনেকে বাড়ির ছাদে সমাবেত হতো। সেকালে আহসান মঞ্চিল, বড় কাটরা, হোসনী দালানে বিকেল থেকেই ঈদের চাঁদ দেখার জন্য মানুষ ভীড় জমাতো। উন্মুক্ত দিগন্তে চাঁদ দেখার জন্য কেউ কেউ বুড়িগঙ্গার নৌকায় সাওয়ার হতেন। চিন্তা করতে পারেন? নৌকা চড়ে মানুষ খোলা আকাশের চাঁদ দেখতে চাইতো। কি সুন্দর! কি আবেগ! অসাধারণ।

আর মুঘল আমলে আকাশে নতুন চাঁদ দেখে কিভাবে আনন্দ উৎসব করা হতো সে বিষয়ে বিস্তারিত লিখেছেন মির্জা নাথান। দিনের শেষে ঈদের নতুন চাঁদ দেখার সঙ্গে সঙ্গে বেজে উঠতো শাহীতুর্য। গোলন্দাজ বাহিনী শুরু করতো আকাশে আগুন লাগানো নয়নাভিরাম আতশবাজির উৎসব। সন্ধ্যার প্রথম প্রহর থেকে মধ্য রাত্রি পর্যন্ত একটানা বন্দুকের গুলি ছুড়ে এলাকাবাসীর মনে ঈদের আনন্দের রং মাখিয়ে দিতো ওরা। রাতের শেষ প্রহরের দিকে বন্দুক ছোড়া বন্ধ করে গোলন্দাজ বাহিনী বড় কামান থেকে গোলা নিক্ষেপ শুরু করত। তাতে করে দ্রাম দ্রাম শব্দে প্রকম্পিত হতো দূর-দূরান্ত পর্যন্ত।

চাঁদ দেখার পর মুরুব্বিরা মোনাজাত পড়তেন। আর দলবেঁধে ছেলে মেয়েরা যেত মুরুব্বিদের কদমবুসি করার জন্য। মোবারকবাদ ও দোয়া বিনিময় চলতো মুরুব্বিদের মাঝে। উনিশ শতকের শেষার্ধে এবং বিশ শতকের প্রথমার্ধে ঢাকার নবাববাড়ি থেকে তোপধ্বনি করে চাঁদ উঠার সংবাদ জানিয়ে দেয়া হতো। চাঁদ উঠার আনন্দ প্রকাশ করার জন্য ছোট ছেলে মেয়েরা আঁতশবাজি জ্বালিয়েও ফটকা ফুটিয়ে আনন্দ উল্লাস করতো। আতশবাজি ছিলো হরেক রকমের তারাবাতি, মরিচ, ফোয়ারা, মাহতবি, মাররা, হাওয়াই, ফটকা, চরকি, কবুতরি, টোন্টা, দো দাম্বা, ব্যান্ডবাজী।

শোভাযাত্রা করে ঈদগাহে যাওয়াটা ছিলো প্রাচীন ঈদের বৈশিষ্ট্য। মোগল আমলে মুসলিমরা শ্লোগান দিতে দিতে ঈদগাহে যেত। তাকবির দিতো। ধনীরা তো উপহার বিলাতে বিলাতে ঈদগাহে যেত। সুবেদার মুর্শেদকুলি খান ঈদের দিন ঢাকার দূর্গ থেকে ঈদের ময়দান পর্যন্ত মানুষের জন্য ঈদ উপহার হিসেবে টাকা কড়ি ছড়িয়ে দিতেন। জামায়াতে ঈদের নামাজ পরে আমোদ প্রমোদে মেতে উঠতেন তখনকার মুসলিমরা।

ঈদের জামায়াতে আসা মিছিলগুলো নিয়ে হতো প্রতিযোগিতা প্রায়। সবাই নিজেদের মিছিলকে জমজমাট ও বর্ণাঢ্য করে তুলতে চাইতো। নিশান উড়াতো। মিছিলে থাকত জমকালো হাওদায় সজ্জিত হাতি, উট, পালকি। সামনের হাতিতে থাকতেন নায়েব-নাযিম। কিংখাবের ছাতি হাতে ছাতি বরদার, বাদ্যযন্ত্র হিসেবে ছিল কাড়া-নাকাড়া শিঙা। রঙ-বেরঙের নিশান দিয়ে মিছিলকে আরো জাঁকজমকপূর্ণ করা হতো। একবার ঈদে সবচে’ সুন্দর মিছিল নিয়ে এসেছিলো আমাদের ঢাবির সলিমুল্লাহ মুসলিম হল। ডা. হাসান ছিলেন এই মিছিলের প্রথম দিকে। সৈয়দ আলী আহসান দৈনিক দিনকালে ২০০০সালের একটা প্রবন্ধে লিখেছেন- ঈদের দিন সকালের এসব মিছিল দেখার জন্য রাস্তার পাশে হিন্দু-খ্রিস্টানরা দাঁড়িয়ে থাকতো। আর বিদেশিরা ছবি তোলবার জন্য ছোটাছুটি করতো।

আহা সংস্কৃতি! কি দারুণ! আমাদের ঈদ ঐতিহ্য কত উপভোগ্য ছিলো। আমরা আজ সে ঈদ থেকে সম্পর্কহীন! এটাই তো আমাদের সংস্কৃতির মূল।

ঈদের মেলা ছিলো আমাদের প্রাচীন ঈদ ঐতিহ্যের অংশ। গ্রামের ঈদগাহগুলো রুপান্তরিত হতো একএকটা মেলা প্রাঙ্গনে। শিশুদের খেলনা থেকে ছানা-সন্দেশ সব কিছুই থাকতো এসবে। আফসোসের বিষয় বিভিন্ন পার্বন, পূজোতে মেলা আমাদের দেশের নৈমিত্তিক ব্যাপার হলেও ঈদ মেলা এখানে অবহেলিত হয়ে গিয়েছে। আমাদের ঐতিহ্য এগুলো। প্রাচীন ঢাকায়ও ঈদের মেলা হতো খুব জমজমাট। উনিশ শতকের শেষার্ধে ঢাকার রমনার ময়দান, চকবাজার, ইসলামপুর, আরমানীটোলা, ধূপখোলা এবং পল্টন ময়দানে বিশাল বিশাল ঈদ মেলা অনুষ্ঠিত হতো। ঈদের বেশ কয়েকদিন আগে শুরু হয়ে- ঈদের কয়েকদিন পর পর্যন্ত চলতো এসব মেলা। বিদেশি লোকজন পর্যন্ত আসতো আমাদের ঈদ মেলা গুলো পর্যবেক্ষণ করার জন্য।

আমরা হাহুতাশ করি অপসংস্কৃতির আধিক্যে। কিন্তু এটা বুঝতেই সক্ষম হইনা আমাদের সংস্কৃতিগুলো এভাবে বিলুপ্ত হওয়াটাই অপসংস্কৃতির উত্থানের বড় কারণ। আমাদের দিবসগুলোগুলো যদি এমন আড়ম্বরপূর্ণ করে রাখতে পারতাম- মানুষ অমুক-তমুক ডে’র জন্য কখনও মুখিয়ে থাকতোনা। কিন্তু হায়! ঈদের মত আমাদের এত গুরুত্বপূর্ণ সংস্কৃতিকে আমরা আনন্দহীন করে দিচ্ছি?

রাষ্ট্রিয় পৃষ্টপোষকতার অভাবে আমাদের ঈদ সংস্কৃতি উদযাপন মুখর হতে পারছেনা। তার উপর ক্রমবর্ধমান আবদ্ধ চিন্তার সালাফি ইসলামের প্রভাব আমাদের এসব স্বর্নোজ্জ্বল ঐতিহ্যকে – ঈদের পরিপূর্ণ প্রাণটাকে বিনষ্ট করে দিয়েছে। ঈদ থেকে নারীদের করেছে অংশগ্রহণহীন। এমন কি মধ্যপ্রাচ্য ও ইয়োরোপের উলামারা ঈদ জামায়াতে নারী উপস্থিতির ব্যাপারে আপত্তিহীন হলেও আমাদের দেশে এখনও চলছে জায়েজ না-জায়েজের তর্ক। রাসূলের দেয়া অধিকার হরণ করে নিয়েছে মোল্লারা। ইন্দোনেশিয়ায় যেভাবে নারীরা শোভাযাত্রা করে- আমাদের দেশে এখন এসব করলে শুনতে হবে ফিতনা’হ ফতোয়া। ঈদকে প্রাণবন্ত করণে তাদের জীবজন্তুর ছবি-ঘুড়ি – এসবকে গুনতে হবে না জায়েজ ফতোয়া। আতশবাজি ফুটালে শুনতে হবে হারাম ফতোয়া। ঈদ মেলার আয়োজন করলে গুণতে মেলায় নিষেধাজ্ঞার ওয়াজ! এভাবে এই শ্রেণীর অবিবেচনা প্রসূত ফতোয়াবাজীর আমাদের ঐতিহ্য ও ঈদ উৎসবের প্রাণ নিঃশেষ করে দিয়েছে।

সংস্কৃতি আর ধর্ম দুই বিষয়ের প্রার্থক্য বুঝার অক্ষমতা এবং স্থানীয় ও বিশ্বজনীন ব্যাপারগুলোর উপলব্ধিহীনতা তাদেরকে এ ধরণের আক্ষরিক ইসলামের ব্যখ্যায় উৎসাহিত করেছে। বর্তমান বিশ্বের শ্রেষ্ঠতম উসুলবিদ ও ইসলামিক স্কলার মেহমেদ গরমেজ এমন দ্বীন ও সংস্কৃতির পার্থক্য না করতে পারা, অভ্যাস ও ইবাদতের মধ্যে পার্থক্য না করতে পারা, মৌলিক ও শাখার মধ্যে পার্থক্য করতে না পারা, অপরিবর্তনীয় ও পরিবর্তনীয় বিষয়ের পার্থক্য করতে না পারাকে উসুলবিহীনতার একটা সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেন। আমাদের উপমহাদেশের মোল্লা ও হুজুরদের অন্যতম সমস্যা এটি।

ঈদকে প্রাণবন্ত করে উদযাপন করুন। তরুণদের আতশবাজি কিনে দিন। বন্ধু-বান্ধব নিয়ে চাঁদ দেখুন- চাঁদরাত উদযাপন করুন। মেয়েরা মেহেদী পরুন। মেহেদীও আমাদের সংস্কৃতির অংশ। দল বেঁধে ঈদগাহ বা মসজিদে যান। খাবার দাবারের জমকালো আয়োজন করুন। খান এবং খাওয়ান। মানুষের সাথে মিশুন। ঘর থেকে বের হোন। বন্ধু বান্ধবসহ উদযাপন করুন। ঘুমিয়ে-গেম খেলে ঈদ কাটিয়ে কুল সাজতে যাবেন না- এটা অন্যতম ছোটলোকি। মুসলিমদের একটা সংস্কৃতি ও ইবাদত আপনাদের এমন উপস্থাপনায় প্রাণহীন হিসেবে উপস্থাপিত হওয়ার জন্য আপনাদের জবাবদিহি করতে হবে। আনন্দ করুন- মন খুলে আনন্দ করুন। ঈদের পুলক ও আনন্দ লাভ করা সুন্নাহ। এবং মহান ইবাদতও বটে।

তথ্যসূত্র:

১। যুগে যুগে ঢাকার ঈদ মিছিল® রফিকুল ইসলাম রফিক

২। মোগলাই ঈদ® আফরিন বুশরা

৩। বুখারি, মুসলিম।

সম্পর্কিত লেখা


আরও পড়ুন