শুক্রবার, ২ জানুয়ারি ২০২১; ১১:৫২ অপরাহ্ণ


ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যাকায় ইজরাইলি বাহিনীর হামলায় আজ সোমবার (১৪ মে) ৪০ জন নিহত হয়েছে এবং আহত হয়েছে ১৭০৩ জন। এই সংঘর্ষ চলছেই। ‘গ্রেট মার্চ অব রিটার্ন’ আন্দোলনের অংশ হিসেবে সোমবার সকাল থেকেই গাজা উপত্যকার ফিলিস্তিনিরা ইসরায়েলি সীমান্ত অতিক্রম করার চেষ্টা করেন। এই বিক্ষোভে প্রায় লাখখানেক ফিলিস্তিনি অংশ নেন।

১৯৪৮ সালের ১৫ মে কয়েক লক্ষ ফিলিস্তিনিকে বাস্তুচ্যুত করা হয়। তাদের আশ্রয় হয় রিফ্যুজি ক্যাম্প। আজ সেই নাকবা বা বিপর্যয়ের ৭০ বছর পূর্তি। এই দিনে প্রতিবছরই গাজার অধিবাসীরা ইজরায়েলের বর্ডারে গিয়ে বিক্ষোভ করে এবং বর্ডার অতিক্রম করে। এটা প্রতিকী। এর মাধ্যমে তারা ইজরায়েল ও সারাবিশ্বকে এটা বোঝাতে চায় যে, আমরা তোমাদের দখলদারিত্ব মানি না। আমরা মরব তবু মাথা নোয়াব না। আমাদের ভূখন্ডের অধিকার আমরা কখনোই ছাড়ব না।

সপ্তাহব্যাপী এই রেজিস্টেন্সে অংশ নিয়েছে গাজার সর্বস্তরের জনগণ।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস জেরুজালেমে সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণার পর থেকে অব্যবহিত প্রতিবাদ হয়েছে এবং আজ জেরুজালেমে মার্কিন পতাকা উত্তোলনের প্রেক্ষাপটে হেবরন ও জেরুজালেমেও বিক্ষোভ মিছিল হয়। মার্কিন নীতিনির্ধারক শেলডম এডেলসন এবং কুশনার যখন জেরুজালেমে অবস্থান করছিল তখনই ফিলিস্তিনিদের উপর এই হামলার ঘটনা ঘটে এবং ৪৭ ইনোসেন্ট শান্তিকামী বিক্ষোভরত ফিলিস্তিনিকে হত্যা করা হয়। এটি নিঃসন্দেহে গণহত্যা। এর জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রত্যক্ষভাবে দায়ী।

সম্পর্কিত লেখা


আরও পড়ুন