শনিবার, ২ জানুয়ারি ২০২১; ১২:৫৬ পূর্বাহ্ণ


হাসপাতালের বিছানায় ছাত্রনেতা সোহেল।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী ও কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম নেতা এপিএম সোহেলের ওপর হামলা চালিয়ে আহত করেছে সন্ত্রাসীরা। সোহেল বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ কেন্দ্রিয় কমিটির যুগ্ম-আহবায়ক। বুধবার বিকাল ৩টার দিকে পরীক্ষা শেষ করে বাসায় ফেরার সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের সামনে হামলার শিকার হন সোহেল।

সোহেলকে দেখতে হাসপাতালে ছুটে আসেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক নাসির আহমেদ।

কেবল কোটা সংস্কার আন্দোলনই নয়, বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে রিজার্ভের টাকা চুরি ও ব্যাংকিং খাতে লুটতরাজের বিরুদ্ধেও সর্বদা সোচ্চার ছিলেন তিনি।

ব্যাংকিং খাতে লুটপাটের প্রতিবাদে সোহেল।

এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় কোটা সংস্কার আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালনকারী মোহাম্মদ রাতুল সরকার ফেসবুকে লিখেছেন-

“আমার ভাইয়ের ওপর হামলাকারী ওইসব জানোয়ারদের এক মুহূর্তে কলিজা ছিঁড়ে কুত্তা দিয়ে খাইয়ে দিতে পারে বাংলার ছাত্রসমাজ। আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, তাই এখনো কিছু করিনি।।আমাদের এই শ্রদ্ধাশীলতাকে আমাদের দুর্বলতা না ভেবে প্রশাসনকে দ্রুত ওইসব জানোয়ারদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার আহবান জানাচ্ছি। নয়ত বাংলার ছাত্রসমাজ আবার রাজপথে নামলে ওইসব জানোয়ারের দল পালানোর রাস্তা পাবেনা বলে দিলাম।”

নুরুল হক নুর বলেন-

“কুমিল্লায় বাসে হামলা,জাহাঙ্গীর নগরে মারধর,মুহসিন হলে অামাকে,রাশেদ ভাইকে হত্যা চেষ্টা,জগন্নাথে সোহেলকে হত্যা চেষ্টা কোটা সংস্কার অান্দোলনকারীদের উপর এসব হামলার বিচার না হওয়া সন্ত্রাসীদেরকে অারোও হামলার সুযোগ করে দেওয়া। বাংলার ছাত্রসমাজ সেটা হতে দিবে না।” 

 

সম্পর্কিত লেখা


আরও পড়ুন