বুধবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১; ৪:৩৩ অপরাহ্ণ


এই মুহূর্তে দেশে পদার্থবিজ্ঞানে ভালো কাজ করছেন কারা? এই প্রশ্নের জবাব দেওয়া বেশ কঠিন। গবেষকদের রেইট করারও কোন সর্বসম্মত পন্থা নেই। অনেকে হয়ত কাজ কিছুটা কম করেন কিন্তু গবেষণার মান অনেক উঁচু। অনেকে হয়ত প্রচুর কাজ করেন কিন্তু মানের দিক থেকে মাঝারি ধরণের।

গবেষকদের সম্পর্কে ডাটা বেইসের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র হল Elsevier এর অঙ্গপ্রতিষ্ঠান SCOPUS। কিন্তু আমাদের দেশে প্রায় কারোরই এখানে অ্যাক্সেস নেই। ডাটা অ্যানালিসিসের ঝক্কিও অনেক। কাছাকাছি সংগঠন Research Gate ও RG-Score-এর মাধ্যমে এক ধরণের রেটিং করে থাকে। তবে এই রেটিং নিয়েও প্রশ্ন আছে। প্রশ্ন থাকা স্বত্ত্বেও এর সুবিধা হল, এখান থেকে একটি রেডিমেইড স্কোর পাওয়া যায়। এই স্কোর থেকে মোটা দাগে হলেও একটা ধারণা পাওয়া যেতে পারে। পদার্থবিজ্ঞানের ছাত্রছাত্রী এবং যারা বিজ্ঞানে উৎসাহী তাদের এই বিষয়ে কিছু ধারণা থাকা প্রয়োজন। এই দেশে বিজ্ঞানের ধারে কাছেও না থেকে অনেকে ‘বিশিষ্ট বিজ্ঞানী’ বলে পরিচিত।

আজকে, এই মুহূর্তে, RG-Score (ব্র্যাকেটে) অনুযায়ী, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত দেশের প্রথম দশজন পদার্থবিদ হচ্ছেন-

  1. প্রফেসর আ আ মামুন (৪৪ দশমিক ৯৭); জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
  2. প্রফেসর সালেহ হাসান নকীব (৩৭ দশমিক ৬১), রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
  3. প্রফেসর এমিরেটাস অরুন কুমার বসাক (৩৬ দশমিক ৬১), রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
  4. প্রফেসর একেএম আখতার হুসাইন (৩৫ দশমিক ১৯), বুয়েট
  5. প্রফেসর একেএম আজহারুল ইসলাম (৩৫ দশমিক ১৭), রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
  6. প্রফেসর এম ইদ্রিস মিয়া (৩৪ দশমিক ৫১), চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
  7. প্রফেসর জীবন পোদ্দার (৩১ দশমিক ১২), বুয়েট
  8. প্রফেসর ফরহাদ মিনা (৩০ দশমিক ০৯), বুয়েট
  9. প্রফেসর একেএম মইনুল হক মিয়াজ (২৯ দশমিক ৯৮), চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
  10. প্রফেসর আবু হাসান ভূঁইয়া (২৯ দশমিক ৯৩), বুয়েট

তরুণদের ভেতর কয়েকজনের কথা না বললেই নয়। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়য়ের ড. শারমিন সুলতানার স্কোর ২৯ দশমিক ১৬, বুয়েটের প্রফেসর মোহাম্মদ আব্দুল বাসিতের স্কোর ২৮ দশমিক ০৬ এবং নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মাহদি রহমান চৌধুরীর স্কোর ২৭ দশমিক ০৭। তারাও দ্রুতলয়ে এগিয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করছি।

এছাড়াও আছেন আরও কিছু কৃতি গবেষক যাদের একটি বড় অংশ হচ্ছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র। তারাও অল্প সময়ের মধ্যে দেশের প্রথম সারির গবেষকদের কাতারে নাম লেখাবে বলে আশাবাদী।

 

সম্পর্কিত লেখা


আরও পড়ুন