শনিবার, ২ জানুয়ারি ২০২১; ১২:২৮ পূর্বাহ্ণ



বিভি ডেস্কঃ  বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় যারা প্রত্যক্ষভাবে বাংলাদেশ সৃষ্টির বিরোধিতা করেছে এবং যারা হত্যা, ধর্ষণ, লুঠপাটসহ নানা ধরনের অপরাধে সাথে জড়িত ছিল তাদের প্রতি ঘৃণা প্রকাশের জন্য ‘ঘৃণাস্তম্ভ’ নির্মাণের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু ভবনের সামনে একটি ঘৃণাস্তম্ভ আগে থেকেই ছিল যদিও সেটি এখন নোংরা ডাস্টবিনে পরিণত হয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম. মোজাম্মেল হক জানান, এই ঘৃণা-স্তম্ভ তৈরির প্রশ্নে ইতোমধ্যেই একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি স্তম্ভের নকশার জন্য একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করবে, যার মধ্য দিয়ে সেরা নকশাটিকে বাছাই করা হবে। অগাস্টের মধ্যে এই ঘৃণা-স্তম্ভের নির্মাণ কাজ শুরু হবে বলে তিনি জানান। মন্ত্রীর মতে-

 “মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস পরবর্তী প্রজন্মকে জানানোর তাগিদ থেকেই এই ঘৃণা-স্তম্ভ নির্মাণ করা হচ্ছে।”

রাজধানী ঢাকার কোন এক জায়গায় এই ঘৃণা-স্তম্ভটিকে স্থাপন করা হবেন। তবে পর্যায়ক্রমে দেশের অন্যান্য জায়গাতেও একই ধরনের স্তম্ভ নির্মাণ করা হবে বলে তিনি জানান।

কিন্তু এই ঘৃণা-স্তম্ভের মধ্য দিয়ে সরকার কেন স্বাধীনতা-বিরোধীদের অমর করে রাখতে চাইছে, এই প্রশ্নে জবাবে আ.ক.ম. মোজাম্মেল হক বলছেন, যারা সক্রিয়ভাবে বাংলাদেশের জন্মের বিরোধিতা করেছে, তারা এখনও সক্রিয়। তাই জনগণকে ইতিহাস সম্পর্কে সচেতন রাখার জন্যই এই ঘৃণাস্তম্ভ।

তবে একটি গণতান্ত্রিক ও স্থিতিশীল বাংলাদেশ বজায় রাখার ক্ষেত্রে এই বিভক্তি প্রতিবন্ধক কিনা এ প্রশ্নের কোন জবাব মন্ত্রীর কাছে পাওয়া যায়নি।

সম্পর্কিত লেখা


আরও পড়ুন