বুধবার সকালে মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ধর্মেন্দ্র। বলিউড সূত্রে জানা গিয়েছে, আপাতত তাঁর চিকিৎসা চলবে বাড়িতেই। হাসপাতাল থেকে সোজা জুহুর বাংলোয় নিয়ে যান দুই পুত্র সানি ও ববি দেওল। খবর পেয়েই নিজে গাড়ি চালিয়ে বন্ধুর খোঁজ নিতে ছুটে যান অমিতাভ বচ্চন। ধর্মেন্দ্রর বাড়িতে প্রবেশের সময় চালকের আসনে থাকা অমিতাভকে দেখে আবেগে ভাসেন অনুরাগীরা। ভাইরাল হয় সেই মুহূর্তের ভিডিও, যা দেখে ‘শোলে’র নস্ট্যালজিয়ায় ভেসে যান সিনেপ্রেমীরা।
চলতি বছরেই ‘শোলে’ ছবির পঞ্চাশ বছর পূর্তি। সময় কেটে গেলেও ‘জয়-বীরু’র বন্ধুত্ব আজও অটুট। বয়সে বড় ধর্মেন্দ্রর সঙ্গে বরাবরই অটল সম্পর্ক বজায় রেখেছেন অমিতাভ। ধর্মেন্দ্র হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেতেই আবারও সেই অফস্ক্রিন বন্ধুত্বের প্রমাণ পেলেন ভক্তরা। অমিতাভের বিএমডব্লু গাড়ি চালিয়ে ধর্মেন্দ্রর বাংলোয় পৌঁছনোর দৃশ্য ভাইরাল হতেই প্রশংসার ঢল নামে নেটমাধ্যমে। কেউ লিখেছেন, ‘৮৩ বছর বয়সেও বন্ধুত্বের টানে নিজে গাড়ি চালিয়ে দেখা করতে যাওয়া সত্যিই অনন্য!’ উল্লেখযোগ্যভাবে, অমিতাভ নিজেও জুহুতেই থাকেন।
অতীতে এক সাক্ষাৎকারে অমিতাভ জানিয়েছিলেন, “আমরা আমাদের বন্ধুত্ব উপভোগ না করলে একসঙ্গে কাজ করতে পারতাম না। আর ধর্মেন্দ্র আমার খুব ভালো বন্ধু। প্রায়শই তার কাছে পরামর্শ নিতে যাই আমি। কারণ ইন্ডাস্ট্রিতে এমন অনেক পরিস্থিতি তৈরি হয়, যেটা কীভাবে মোকাবিলা করতে হবে, সেটা বুঝতে পারি না। ধর্মেন্দ্রকে জিজ্ঞেস করলে ও আমাকে ভালো পরামর্শ দিয়ে এগিয়ে যেতে সাহায্য করে।”
উল্লেখ্য, সোমবার রাতে ধর্মেন্দ্র হাসপাতালে ভর্তি থাকাকালীন তাঁকে দেখতে গিয়েছিলেন শাহরুখ খান, সলমন খান ও গোবিন্দা-সহ বহু তারকা। তবে অমিতাভকে তখন দেখা যায়নি। বন্ধুর বাড়ি ফেরার খবর পেয়েই তাঁকে দেখতে নিজে গাড়ি চালিয়ে পৌঁছে যান বলিউডের শাহেনশা।
