---Advertisement---

চাঁদা কি নির্ধারিত, নাকি জোরাজুরি? ‘স্পন্দন’ বিতর্কে তদন্তের দাবি এবিভিপির-বর্ধমান মেডিকেল কলেজের ঘটনা।

October 26, 2026 10:41 PM
---Advertisement---

স্পন্দন’-এর অনুষ্ঠান এখনও শুরু হয়নি। তার আগেই চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করে বিতর্কে জড়াল বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ‘স্পন্দন’। প্রথম বর্ষের পড়ুয়াদের কাছ থেকে জোর করে টাকা চাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আগামী ৪ ডিসেম্বর এই অনুষ্ঠান হওয়ার কথা। সম্প্রতি সমাজমাধ্যমে সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজের এক পড়ুয়া দাবি করেন, অনুষ্ঠানের জন্য তাঁর কাছে ৫৫০০ টাকা চাওয়া হয়েছে। যদিও উৎসব পরিচালন কমিটির সদস্যদের দাবি, অভিযোগ ভিত্তিহীন এবং এখনও চাঁদা সংগ্রহ শুরুই হয়নি।

এই অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে সোমবার কলেজের অধ্যক্ষ সব্যসাচী দাসের দ্বারস্থ হয় অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (এবিভিপি)। সংগঠনের মধ্যবঙ্গ প্রান্তের সংগঠন সাধারণ সম্পাদক রিঙ্কু পিয়াসির নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল অধ্যক্ষের সঙ্গে দেখা করে। প্রতিনিধি দলে ছিলেন সুশোভন চৌধুরী, জেলা বিজেপি নেতা সৌমরাজ বন্দ্যোপাধ্যায়, শান্তরূপ দে-সহ অন্যরা। এবিভিপির দাবি, কোনও পড়ুয়ার উপর চাপ সৃষ্টি করে চাঁদা আদায় করা যায় না। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে দোষীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে হবে। অন্য দিকে, উৎসব পরিচালন কমিটির সদস্যদের বক্তব্য, নিয়ম অনুযায়ী এ বছর সর্বোচ্চ চাঁদার পরিমাণ ৫৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, তবে এখনও কারও কাছে টাকা চাওয়া হয়নি। কলেজের সহকারী ডিন তথা কমিটির সদস্য সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, বিষয়টি তাঁর কানে এসেছে এবং তিনি অধ্যক্ষকে তা জানাবেন। অধ্যক্ষ সব্যসাচী দাসের বক্তব্য, কলেজ খুললে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

‘স্পন্দন’ ঘিরে বিতর্ক অবশ্য নতুন নয়। ২০২২ সালে অনুষ্ঠান পরিচালনায় প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। ২০২৫ সালে অনুষ্ঠান চলাকালীন হস্টেলের ভিতরে মদ বিক্রির অভিযোগও সামনে আসে। এ বার চাঁদা আদায় নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হওয়ায় প্রশ্ন উঠছে অনুষ্ঠান পরিচালনার স্বচ্ছতা নিয়ে। যদিও বর্তমান অভিযোগের সত্যতা এখনও প্রমাণিত হয়নি, তবু বিষয়টি নিয়ে তদন্তের দাবি জোরালো হয়েছে। কলেজ কর্তৃপক্ষ এই অভিযোগের ভিত্তিতে কী পদক্ষেপ করেন, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে।

Join WhatsApp

Join Now