পশ্চিমবঙ্গের খেলাধূলাকে কলকাতাকেন্দ্রিক গণ্ডি থেকে বের করে বর্ধমান, দুর্গাপুর, আসানসোল, হুগলি, উত্তরবঙ্গ ও সুন্দরবন-সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানালেন ক্রীড়া মন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ । তাঁর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে জেলার প্রতিভাবান খেলোয়াড়রা পর্যাপ্ত সুযোগ ও পরিকাঠামোর অভাবে পিছিয়ে পড়েছেন। অনেকেই অন্য রাজ্যে চলে গিয়েছেন, আবার অনেকে খেলাধূলা ছেড়েও দিয়েছেন। তিনি আরো বলেন আন্তর্জাতিক স্তরে ভারত ভালো ফল করলেও পশ্চিমবঙ্গের প্রতিনিধিত্ব আশানুরূপ নয়।
ফুটবল, ক্রিকেট-সহ বিভিন্ন জাতীয় দলে বাংলার খেলোয়াড়দের উপস্থিতিও কমেছে। এই পরিস্থিতি বদলাতে হলে কলকাতার পাশাপাশি জেলার প্রতিভাবান ছেলে-মেয়েদেরও সমান সুযোগ দিতে হবে।আগামী ২৯ আগস্ট জাতীয় ক্রীড়া দিবস উপলক্ষে বর্ধমান-সহ পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলার কৃতি ক্রীড়াবিদদের সম্মান জানানোর পরিকল্পনার কথাও জানানো হয়েছে। জাতীয় গেমসে প্রতিনিধিত্ব করা খেলোয়াড়দের বিশেষভাবে সম্মানিত করা হবে বলে তিনি জানান।
SAI কমপ্লেক্স নিয়ে ২৯ তারিখ বৈঠকদীর্ঘদিন ধরে কার্যত বন্ধ হয়ে থাকা বর্ধমানের SAI কমপ্লেক্স নিয়েও প্রশ্ন উঠলে। জবাবে মন্ত্রী জানান, বর্ধমান শহরের পাশাপাশি গ্রামাঞ্চলের ছেলে-মেয়েদের জন্যও খেলাধূলার পরিকাঠামো তৈরি করার পরিকল্পনা রয়েছে।
SAI কমপ্লেক্স সংক্রান্ত বিষয়টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও জেলা নেতৃত্বের পক্ষ থেকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।জাতীয় ক্রীড়া দিবসের দিন অর্থাৎ ২৯ আগস্ট SAI কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এ বিষয়ে নির্দিষ্ট বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে বলে জানান তিনি।খেলার মাঠে রাজনীতি নয়ক্রীড়া সংগঠনগুলিতে রাজনৈতিক প্রভাব নিয়েও সরব হন বক্তা। তাঁর বক্তব্য, “রাজনীতির ময়দানে রাজনীতি হবে, খেলার ময়দান রাজনীতিমুক্ত থাকবে।” আগামী দিনে ক্রীড়া সংগঠনগুলির দায়িত্ব ক্রীড়াবিদদের হাতে তুলে দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানানো হয়।অ্যাথলেটিক্স, দাবা, সাঁতার ও টেবিল টেনিসের মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রের কৃতি ক্রীড়াবিদদের সামনে এনে ক্রীড়া প্রশাসনে তাঁদের ভূমিকা বাড়ানোর কথাও বলা হয়েছে।স্কুলের মাঠ অন্য কাজে ব্যবহার নিয়েও নজরস্কুলের খেলার মাঠ অন্য কাজে ব্যবহারের বিষয়েও প্রশ্ন ওঠে। এ বিষয়ে স্কুল শিক্ষা দফতরের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।






